Advertisement
E-Paper

দোকান থেকে কেনা ওষুধ খাওয়ার পর দেদার মদ, গাঁজাসেবন, তরুণের হৃদ্স্পন্দন পৌঁছোল ২১২-তে! তার পর...

অসুস্থ তরুণ গোটা সন্ধ্যা বন্ধুদের সঙ্গে মদ্যপান এবং ধূমপান করে কাটিয়েছিলেন। এক পর্যায়ে, পাঁচ বন্ধু গাঁজা ভরা সিগারেট ভাগাভাগি করে খেয়েছিলেন। রাত গড়াতেই তাঁদের মধ্যে এক জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় ২৪ বছর বয়সি ওই যুবককে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ মার্চ ২০২৬ ১৮:২৫

ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।

রাতের দিকে হোস্টেলের ঘরে বসেছিল মদ, গাঁজার আসর। আবাসিকদের অনেকেই সেখানে বসে মদ, সিগারেট ও গাঁজার নেশা করছিলেন। হঠাৎ করেই ২৪ বছরের এক তরুণের বুক ধড়ফড় করতে শুরু করে। শ্বাসকষ্ট এতটাই তীব্র ছিল যে প্রায় অচৈতন্য হয়ে পড়েন তিনি। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা দেখেন, তাঁর হৃদ্‌স্পন্দনের হার ২১২-তে পৌঁছে গিয়েছে। হাসপাতালেরই এক চিকিৎসক ঘটনাটি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে নেটাগরিকদের সতর্ক করেছেন। যদিও এই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, অসুস্থ তরুণ গোটা সন্ধ্যায় বন্ধুদের সঙ্গে মদ্যপান এবং ধূমপান করে কাটিয়েছিলেন। এক পর্যায়ে, পাঁচ বন্ধু গাঁজা ভরা সিগারেট ভাগাভাগি করে খেয়েছিলেন। রাত গড়াতেই তাঁদের মধ্যে এক জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় ২৪ বছর বয়সি ওই যুবককে তাঁর হোস্টেলের বন্ধুরা হাসপাতালের আপৎকালীন বিভাগে ভর্তি করে দেন। পোস্টে চিকিৎসকের বর্ণনা অনুযায়ী, তরুণ অত্যন্ত অস্থির এবং প্রায় অচেতন অবস্থায় জরুরি বিভাগে পৌঁছোন। তাঁর হৃদ্‌স্পন্দন প্রতি মিনিটে ২১২তে পৌঁছে গিয়েছিল, যেখানে হৃদ্‌স্পন্দনের স্বাভাবিক সীমা মিনিটে ৬০-১০০ থাকে। পোস্টে চিকিৎসক লিখছেন, অসুস্থ যুবক স্থির হয়ে বসতে পারছিলেন না এবং বিছানার রেলিং ধরে শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছিলেন।

প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা যায় য়ে যুবক টাকাইকার্ডিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। অনুভব করছেন, এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীরে অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক তরঙ্গ খেলে যাওয়ার কারণে হৃদ্‌স্পন্দন হঠাৎ খুব বেড়ে যায়। চিকিৎসকেরা আশ্চর্য হয়ে যান, কারণ রোগীর হৃদ্‌রোগের কোনও পূর্ববর্তী ইতিহাস ছিল না এবং এর আগে কখনও এই ধরনের ঘটনা তাঁর সঙ্গে ঘটেনি। রোগীর বন্ধুরা মদ্যপান, ধূমপান ও গাঁজাসেবন করলেও তাঁদের মধ্যে কোনও অসুস্থতা লক্ষ করা যায়নি। রোগীকে কিছুটা ধাতস্থ করার পর চিকিৎসকেরা জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু করেন। তরুণ জানান, ঘটনার আগের দিন ছোটখাটো সংক্রমণের জন্য একটি ট্যাবলেট খেয়েছিলেন। ওষুধটি ছিল ফ্লুকোনাজ়োল। সেটি একটি ছত্রাক সংক্রমণের ওষুধ। তিনি কোনও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধটি দোকান থেকে কিনে খেয়ে নিয়েছিলেন।

চিকিৎসক পোস্টে জানিয়েছেন, ছত্রাক সংক্রমণের ওষুধের কারণে তাঁর লিভারের কর্মক্ষমতা সাময়িক ভাবে ধীর হয়ে যায়। এর ফলে তার শরীরে টিসিএইচ যৌগ জমা হতে থাকে। সেটি পরে তরুণের স্নায়ুতন্ত্রের প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। এর থেকে হৃদ্‌স্পন্দন এবং রক্তচাপ বৃদ্ধি পেয়েছিল। প্রতি মিনিটে ২১২ স্পন্দনের মতো বিপজ্জনক স্তরে পৌঁছেছিল। সৌভাগ্যবশত, চিকিৎসার পর পরই যুবকের অবস্থা স্থিতিশীল হয়।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy