আর্থিক সাফল্যের পিছুপিছু আসে প্রাচুর্য, বৈভব, আয়েশি জীবনযাত্রা। এই বিষয়টি নিয়ে সমাজমাধ্যমে আলোচনার জবাবে একটি পোস্ট করেন খাদ্য প্রস্তুতকারক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা বিনোদ চেন্ধিল। সেই পোস্টে এই চলতি ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে বিনোদ জানান, তাঁর সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা ১০০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক। যথেষ্ট বিত্তশালী হওয়া সত্ত্বেও তিনি এখনও সাদামাঠা জীবনযাপন করে চলেছেন। এক্স সমাজমাধ্যমে করা সেই পোস্টটি নজর কেড়েছে নেটাগরিকদের। ভাইরাল হয়েছে সেই পোস্টটি। যদিও এই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
বিনোদ তাঁর এক্স পোস্টে জানিয়েছেন, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই ব্যক্তি এখনও গণপরিবহণ ব্যবহার করতে পছন্দ করেন। বাড়তি অপ্রয়োজনীয় বিলাসবহুল খরচ এড়িয়ে চলেন। তিনি লিখেছেন, ‘‘আমার প্রতিষ্ঠাতা বন্ধুর মোট সম্পদ ১০০ কোটি টাকা। তিনি যখনই মুম্বই আসেন অটোয় যাতায়াত করেন। সম্ভব হলে শেয়ার অটো বা ট্যাক্সি নেন। সাধারণ হোটেলে থাকেন। কোনও দামি গাড়ি কেনেননি।” বিনোদ দাবি করেছেন, বিত্তবান হওয়ার পর তাঁর বন্ধুর মধ্যে একটিমাত্র পরিবর্তনই চোখে পড়েছে। এখন তিনি আগের চেয়ে বেশি ছুটি বা অবসর সময় পান।
উদ্যোক্তা রবি হান্ডার একটি পোস্টের জবাবে বিনোদের এই পোস্টটি নজর কে়ড়েছে সমাজমাধ্যমে। রবির পোস্টটিতে লেখা হয়েছিল উচ্চ আয় কী ভাবে যে কোনও মানুষের জীবনযাত্রার ধাঁচ পরিবর্তন করে ফেলে। হান্ডা উল্লেখ করেন যে, তিনি ১০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক। আরামদায়ক জীবনযাপন করেন। তাঁর সম্পদ বেড়ে ৫০ কোটি টাকা হলে পরিস্থিতি সম্ভবত সম্পূর্ণ ভিন্ন হত। এই বক্তব্যে পরিপ্রেক্ষিতে বিনোদ তাঁর বন্ধুর প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন। পোস্টটি ভাইরাল হতেই নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এক্স ব্যবহারকারীরা। অনেকেই ১০০ কোটি টাকার মালিকের জীবনধারণের বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেছেন। নেটাগরিকদের অধিকাংশই জানিয়েছেন, আর্থিক সাফল্য মানেই অতিরিক্ত প্রাচুর্য নয়।