মাথা নেড়া করে ফেলতেই বিপত্তি। চেহারা পাল্টে যাওয়ায় কাজে যোগ দিতে পারছিলেন না তেলেঙ্গনার এক শ্রমিক। মনরেগায় মুখ দিয়ে শনাক্তকরণ-ভিত্তিক (ফেসিয়াল রেকগনিশন) হাজিরা ব্যবস্থায় তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এই সমস্যার সমাধানে এগিয়ে এলেন এক মহিলা সহকর্মীই। তাঁর চুল ব্যবহার করে পুরুষকর্মীর পরিচয় শনাক্ত করার অভিনব উপায় বার করা হয়। সফল হল সেই পরিকল্পনা।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, কোমাটিপল্লি গ্রামের শ্রীনিবাস নামে এক শ্রমিক সম্প্রতি কোন্ডাগাট্টু অঞ্জনেয় স্বামী মন্দিরে গিয়ে একটি ধর্মীয় আচারের অংশ হিসাবে চুল উৎসর্গ করেছিলেন। ২৮ মে বৃহস্পতিবার শ্রীনিবাস মাথা নেড়া করে কাজে ফিরলে একটি অপ্রত্যাশিত সমস্যা দেখা দেয়। কর্মস্থলের সুপারভাইজ়ার ‘ফেসিয়াল রিকগনিশন অ্যাপ’ ব্যবহার করে তাঁর উপস্থিতি চিহ্নিত করার চেষ্টা করেন। হাজিরা দেওয়ার সিস্টেমটি তাঁকে বার বার শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়। মুখের আদলের পরিবর্তনের পর প্রযুক্তি শ্রীনিবাসের বর্তমান চেহারার সঙ্গে পুরনো চেহারা সাদৃশ্য মেলাতে না পারায় তাঁর হাজিরা আটকে দেয়। ফলে কর্মস্থলের শ্রমিকেরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন।
পরিস্থিতিটা এক মজার মোড় নিল যখন কর্মস্থলের এক মহিলা শ্রমিক একটি অভিনব সমাধান নিয়েএগিয়ে এলেন। ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, সুপারভাইজ়ার যখন হাজিরা অ্যাপের মাধ্যমে আরও এক বার স্ক্যান করার চেষ্টা করছিলেন, তখন ওই মহিলা কর্মী শ্রীনিবাসের নেড়া মাথার ওপর তাঁর নিজের চুল রেখে দেন। এ বার ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেমটি শ্রীনিবাসকে সফল ভাবে শনাক্ত করে। তাঁর হাজিরা নথিভুক্ত হয়।