মাত্র ২০ মিনিটের কাজ। আর তার পারিশ্রমিক সাড়ে ন’হাজার টাকা। কাজ বলতে গ্যারাজের দরজা মেরামত করা। সেই কাজের জন্য এক ভারতীয় তরুণীকে গুনতে হয়েছে কড়কড়ে ১০০ ডলার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হাতেকলমে কাজের পারিশ্রমিকের বহর দেখে হতবাক নেটপাড়া। এআইয়ের দাপটে যখন বিশ্ব জুড়ে ‘গেল গেল’ রব উঠছে তখন দক্ষ কায়িক শ্রমের কর্মীদের পারিশ্রমিক নিয়ে একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়তেই তা নজর কেড়েছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিয়োটি। যদিও এই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী এক ভারতীয় তরুণীর করা একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, মেরামত করার জন্য যাঁকে ডেকেছিলেন সামান্য কাজের জন্য তিনি ৯০০০ টাকারও বেশি পারিশ্রমিক পেয়েছেন। গ্যারাজের দরজায় একটি ছোট সমস্যা থাকায় তিনি এক মেরামতকর্মীকে ডেকেছিলেন। কাজটি করতে তাঁর সাকুল্যে সময় লেগেছিল মাত্র ২০ মিনিট। এই সময়টুকু ব্যয় করে প্রায় ১০ হাজার টাকা রোজগার সেরে ফেলেছেন হাতেকলমে কাজে দক্ষ কর্মী। ভিডিয়োটির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, “এখানে আমার কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হল, কলের মিস্ত্রি, ইলেকট্রিশিয়ান বা গ্যারেজ ডোর টেকনিশিয়ান যিনিই হন না কেন, দক্ষ কর্মীরা মোটা টাকা উপার্জন করেন, যথাযোগ্য কর প্রদান করেন। আমেরিকায় ছোট বা বড় বলে কোনও কাজের মাপকাঠি নেই। দক্ষতাই সম্মান ও উপার্জন নিয়ে আসে।”
ভিডিয়োটি ইনস্টাগ্রামে ‘অমৃতা_লাইফ_ ইন_ইউএসএ’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করার পর বহু মানুষ তা দেখেছেন। প্রচুর লাইক, কমেন্ট জমা পড়েছে তাতে। পৃথিবী জুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে চাকরির অভাব নিয়ে মতামতের অন্ত নেই সমাজমাধ্যমে ও সংবাদমাধ্যমে। তারই মধ্যে এক মেরামত কর্মীর আয় শুনে অনেকেই চমকে উঠেছেন। এই পোস্টটি দেখার পর কায়িক শ্রমে উপার্জনের সম্ভাবনা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে সমাজমাধ্যমে।