বিদেশিকে ১০০ টাকার নকল গয়না ৪০০ টাকায় বিক্রির চেষ্টা করছিলেন ভারতীয় বিক্রেতা। বিক্রেতা তরুণী যে চড়া দাম হাঁকছেন, তা টের পেয়েছিলেন বিদেশি তরুণ। প্রতারিত হওয়ার আগেই গয়না বিক্রেতাকে উচিত জবাব দিলেন বিদেশ থেকে আসা অতিথি। সেই ঘটনার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তা ভাইরাল হয়েছে। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
আমরা ভারতীয়েরা জিনিসপত্র কিনতে গিয়ে প্রায়ই বিক্রেতাদের সঙ্গে দর কষাকষি করি। কিন্তু বিদেশিদের কী হবে? তাঁরা তো আসল দাম জানেন না। তা হলে কি তাঁরা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন? ইনস্টাগ্রামের এই ভিডিয়োয় এমনই এক ঘটনা উঠে এসেছে। ক্রিস রডরিগেজ় নামের ওই বিদেশি তাঁর ইনস্টাগ্রামের অ্যাকাউন্ট থেকে যে ভিডিয়োটি পোস্ট করেছেন তাতে দেখা গিয়েছে, এক তরুণী তাঁকে গয়না বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। একটি ময়ুরের ছবি দেওয়া মালার দাম জানতে চাইলে তরুণী জানান সেটি তিনি ৪০০ টাকায় বিক্রি করবেন। দাম শুনে সন্দেহ হয় বিদেশির। পাশে দাঁড়ানো আইসক্রিম বিক্রেতাকে মালার সঠিক দাম সম্পর্কে জানতে চান তিনি। আইসক্রিম বিক্রেতা উত্তর না দিয়ে শুধু হাসতে থাকেন।
অবশেষে বিদেশিকে ‘লুট’ হওয়া থেকে বাঁচান দুই তরুণী। তাঁরা জানান এই মালার দাম ১০০ টাকা। ক্রেতা হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে দেখে বিক্রেতা তরুণী চটে লাল হয়ে যান। ক্রিস নামের তরুণ তাঁকে মালার জন্য ২০০ টাকা দিতে রাজি হন। তাতেও মন ভরেনি বিক্রেতা তরুণীর। ক্রিস হারটি না কিনে ১০০ টাকা দিয়ে কাঠের পুতির দু’টি ব্রেসলেট কেনেন। তাঁকে আরও গয়না কেনার জন্য পীড়াপীড়ি করতে শুরু করেন বিক্রেতা। বেশ কিছু ক্ষণ ধরে বিদেশি তরুণের পিছু ধাওয়া করতে থাকেন তিনি। দৃশ্যটি স্পষ্টতই অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে ক্রিসের কাছে। কোনও রকমে নিষ্কৃতি পান তিনি।
আরও পড়ুন:
ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ্যে আসার পর বহু মানুষ ভিডিয়োটি দেখেছেন। নানা ধরনের মন্তব্যে ভরে উঠেছে মন্তব্য বিভাগটি। এক নেটমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘‘আমার এত ধৈর্য নেই।’’ অন্য এক নেটাগরিক গোটা পরিস্থিতিটিকেই অস্বস্তিকর বলে উল্লেখ করেছেন। বিক্রেতা তরুণী ব্যবসার ধরন নিয়েও সমালোচনায় মুখর হয়েছেন অনেকে।