Advertisement
E-Paper

৭০-এর বৃদ্ধার দেহে ৩০ বছরের সৌন্দর্য! হলিউড তারকাদের সঙ্গে টক্কর দেওয়া ‘তরুণী’কে দেখে উত্তাল নেটপাড়া

বৃদ্ধাকে দেখে কেউ অনুমানই করতে পারবেন না যে তাঁর ৪৫ বছর বয়সি এক পুত্র রয়েছেন। রাস্তায় উঁচু হিলের জুতো পরে নাচ বা বিভিন্ন ভঙ্গিতে পোজ দেওয়ার ভিডিয়োগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হচ্ছে। তাঁর আত্মবিশ্বাস এবং স্টাইল মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে নেটাগরিকদের।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬ ১৭:০০

ছবি: সমাজমাধ্যম থেকে নেওয়া।

ছিপছিপে গড়ন, টানটান ত্বক। সৌন্দর্যে বলে বলে গোল দিতে পারেন সত্তরোর্ধ্ব এই ‘তরুণী’। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ছবি ও ভিডিয়োয় তাঁকে দেখলে অনায়াসেই ৩০ বছরের বলে চালিয়ে দেওয়া সম্ভব। তাঁর বয়স ৭০-এর বেশি, তবুও তাঁর শারীরিক সক্ষমতা এবং আত্মবিশ্বাস কমবয়সিদেরও পিছনে ফেলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। চিনের সাংহাইয়ের বাসিন্দা ইংজি তাঁর তারুণ্যময় ব্যক্তিত্ব এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে সমাজমাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন।

ইংজিকে দেখে কেউ অনুমানই করতে পারবেন না যে তাঁর ৪৫ বছর বয়সি এক পুত্র আছেন। রাস্তায় উঁচু হিলের জুতো পরে নাচ বা বিভিন্ন ভঙ্গিতে পোজ় দেওয়ার ভিডিয়োগুলো সমাজমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হচ্ছে। তাঁর আত্মবিশ্বাস এবং স্টাইল প্রশংসা কুড়িয়েছে নেটাগরিকদের। যদিও এই ভিডিয়ো বা পোস্টগুলির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

বয়সের মাপকাঠিতে বৃদ্ধা বলে দেগে দেওয়া হলেও বয়স কেবল একটি সংখ্যা বলে মনে করেন ইংজি। তাঁর কাছে বেঁচে থাকার আসল অর্থ হল মনেপ্রাণে তরুণ থাকা। বয়সকে মুঠোয় বন্দি করে রাখতে একটি কঠোর দৈনন্দিন রুটিন মেনে চলেন। তিনি বিকেল ৫টার পর কিছু খান না। প্রতি দিন যোগব্যায়াম করেন এবং তাঁর খাদ্যতালিকায় সবুজ শাকসব্জি, স্যুপ ও প্রোটিন বেশি থাকে বলে জানিয়েছেন বৃদ্ধা। ইংজির জীবন বেশ আকর্ষণীয়। তিনি প্রথমে একটি কিন্ডারগার্টেনে ব্যবস্থাপক হিসাবে কাজ করতেন। পরে, তিনি পরিবারের সঙ্গে জাপান চলে যান। সেখানে তিনি একটি রেস্তরাঁয় কাজ নেন। পরে একটি ব্যবসাও শুরু করেন। বেশ কয়েক বছর পর তিনি চিনে ফেরত চলে যান।

২০২২ সালে, ৭০ বছর বয়সে, তিনি ৬৫ বছরের বেশি বয়সি মহিলাদের মডেলিং গ্রুপ ‘বেজিং ফ্যাশন গ্র্যান্ডমা’স-এ যোগ দেন। এই গ্রুপের মাধ্যমে ইংজি সাংহাই ডিজ়নিল্যান্ডের র‍্যাম্পে হাঁটার শৈশবের স্বপ্ন পূরণ করেন। সমাজমাধ্যমে ২০ লক্ষ অনুরাগী রয়েছে তাঁর। ইংজি ১২০ বছর বাঁচতে চান। চিরকাল সৌন্দর্য ও সুখ নিয়ে জীবন কাটাতে চান। তিনি বিশ্বাস করেন যে বয়স কোনও বাধা নয়, বরং একটি শক্তি। ইংজির গল্প সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তা বহু মানুষকে অনুপ্রাণিত করছে। বহু নেটমাধ্যম ব্যবহারকারী বলেছেন, তিনি প্রমাণ করেছেন যে ইতিবাচক ভাবে চিন্তা করলে বয়স কখনও বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। এক নেটমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘‘এই বয়সেও মানুষ বিছানায় থাকে।’’ আরও একজন যোগ করেছেন, ‘‘আমি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছি না। এঁর সৌন্দর্য হলিউড তারকাদেরও লজ্জায় ফেলে দেবে।’’

China
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy