Advertisement
E-Paper

৩০০০ বছরের পুরনো হলেও দিব্যি খাওয়া যায় ‘গলানো সোনা’! মমির সঙ্গে থাকা আশ্চর্য তরলের হদিস মিশরে

থিবসের একাধিক সমাধিতে পরকালের জন্য রাখা সমাধিসামগ্রীর ঠিক পাশেই মধুভর্তি মুখবন্ধ পাত্র উদ্ধার করেন প্রত্নতাত্ত্বিকেরা। প্রাচীন মিশরীয় রাজপরিবারের সদস্যদের প্রায়শই এমন সব জিনিসপত্রসমেত সমাধিস্থ করা হত।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ১০:২০

ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে নেওয়া।

তিন হাজারের বছরের পুরনো মধু। সেটি এখনও খাওয়ার উপযোগী! মিশরের এক প্রাচীন সমাধিক্ষেত্র থেকে হদিস মিলেছে ‘গলানো সোনার’। প্রত্নতাত্ত্বিকেরা যখন প্রাচীন মিশরীয় সমাধি খনন করছিলেন, তখন তাঁরা এমন কিছু মধুর পাত্র খুঁজে পান যেগুলি ৩,০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে রাখা ছিল। আশ্চর্যের বিষয়, সেই মধু এখনও খাওয়ার উপযুক্ত। একদমই নষ্ট হয়নি।

উনিশ শতকের শেষ ভাগ এবং বিশ শতকের গোড়ার দিকে প্রত্নতাত্ত্বিকরা মিশর জুড়ে তন্ন তন্ন করে রাজকীয় সমাধি খুঁজতে শুরু করেন। থিবসের একাধিক সমাধিতে পরকালের জন্য রাখা সমাধিসামগ্রীর ঠিক পাশেই মধুভর্তি মুখবন্ধ পাত্র উদ্ধার করেন প্রত্নতাত্ত্বিকেরা। প্রাচীন মিশরীয় রাজপরিবারের সদস্যদের প্রায়শই এমন সব জিনিসপত্রসমেত সমাধিস্থ করা হত। প্রাচীন মিশরীয়রা মনে করতেন মৃত্যুর পরে এই সমস্ত পার্থিব জিনিসের প্রয়োজন পড়বে প্রিয়জনদের। এর মধ্যে ছিল গয়না, পোশাক, খেলার সামগ্রী এবং খাবার। সেই খাবারের মধ্যে অন্যতম ছিল মধু। কারণ বেশির ভাগ খাবারের মতো এটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নষ্ট হয়ে যেত না।

হাজার হাজার বছর পার করেও মেয়াদ-উত্তীর্ণ না হওয়ার কারণ হল মধুর রাসায়নিক গঠন। জলীয় অংশ প্রায় নেই বললেই চলে, কিন্তু চিনিতে ভরপুর। মধু প্রাকৃতিক ভাবেই অম্লীয়। কোনও ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক এতে বংশবৃদ্ধি করতে পারে না। কম আর্দ্রতা, চিনির পরিমাণ অত্যধিক এবং প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক এই তিনটি গুণের কারণে মধু দীর্ঘ কাল সংরক্ষণ করা যায়। মিশরীয়রা সম্ভবত সভ্যতার আদিতেই মধুর গুরুত্ব বুঝতে পেরেছিলেন। মধু শুধু খাবার হিসাবেই নয়, ওষুধ তৈরিতে ও ধর্মীয় নৈবেদ্যেরও বিশেষ অঙ্গ হিসাবে ব্যবহার করা হত প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতায়।

Advertisement
Egypt
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy