Advertisement
E-Paper

‘ছাঁটাই হলে বাচ্চাদের পড়াব কী ভাবে’! দুশ্চিন্তায় ৩৪ লাখ বেতনের তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী, বিশেষ পরামর্শ দিল নেটপাড়া

সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি পোস্ট থেকে জানা গিয়েছে, বার্ষিক ৩৪ লাখ টাকা আয় হওয়া সত্ত্বেও আর্থিক বিষয়ে চিন্তিত এক ব্যক্তি। তাঁর প্রধান ভাবনা হল, হঠাৎ করে চাকরি চলে গেলে ছেলেমেয়ের পড়াশোনা কী ভাবে সামলাবেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬ ১৪:০১

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

জিনিসপত্রের দাম দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। যথেষ্ট রোজগার করেও অনেক সময়ই সংসার চালানো মুশকিল হয়ে পড়ে। এর পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলিতে কর্মরতদের মধ্যে চলতে থাকে আচমকা চাকরি হারানোর দুশ্চিন্তা। এমনই একটি ঘটনার কথা সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে, যা চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে নেটাগরিকদের কপালে।

এক্স-এর (সাবেক টুইটার) ‘বাণেশ মালি’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে এক ব্যক্তি লিখেছেন, তাঁর সঙ্গে এমন এক জনের দেখা হয় যিনি একটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় চাকরি করেন। তাঁর বার্ষিক আয় ৩৪ লক্ষ টাকা। তাঁর কোনও ঋণ নেই এবং বেতনও সময়মতোই পেয়ে থাকেন।

এ সব সত্ত্বেও তিনি খুশি নন। কারণ, ক্রমাগত একটি ভয় তাঁকে তাড়া করে বেড়ায়। আর তা হল চাকরি হারানোর ভয়। ওই ব্যক্তি দুই সন্তানের বাবা। কোনও ভাবে চাকরি হারালে বাচ্চাদের পড়াশোনার খরচ কী ভাবে চালাবেন, এই ভাবনাই তাঁকে অস্থির করে তোলে। সব শেষে ওই পোস্টদাতা সমাধান চেয়েছেন নেটাগরিকদের কাছেই। ওই ব্যক্তি কী ভাবে এই পরিস্থিতি আরও ভাল ভাবে সামলাতে পারবেন, সে বিষয়ে জানতে চেয়েছেন তিনি। যদিও পোস্টটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

পোস্টটি ছড়িয়ে পড়তেই নানা রকম পরামর্শ দিয়েছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। এক নেটাগরিকের মতে, ওই ব্যক্তির কোনও ঋণ নেই, এটিই তাঁর সবচেয়ে বড় সঞ্চয়। আর এক জন মন্তব্য করেছেন, “চাকরি বা জীবন কোনও কিছুরই নিশ্চয়তা নেই, এবং এটাই সত্যি। প্রত্যেককে সেই অনুযায়ীই নিজের জীবন পরিকল্পনা করতে হয়।” কেউ কেউ একটি মাত্র বেতনের উপর নির্ভর না করে থেকে আয়ের দ্বিতীয় উৎস গড়ে তোলার কথাও বলেছেন।

Trending Viral Story
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy