পেশাগত কারণে উপকূলবর্তী এলাকায় গিয়ে সমুদ্রে ডুব দিয়ে কাজ সারছিলেন তরুণ ডুবুরি। তখনই একটি আহত মাছ দেখে সমুদ্রের তলা থেকে উদ্ধার করেন তিনি। সেই মাছটিকে খাইয়েদাইয়ে সুস্থ করে আবার সমুদ্রে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ডুবুরি। মানুষ-বন্ধুর এই উপকার ভুলতে পারেনি মাছটি। ৩০ বছর ধরে বন্ধুর ‘ঋণশোধ’ করতে ডুবুরির সঙ্গে দেখা করে যায় সে। ডুবুরিও সেই মাছটির জন্য খাবার নিয়ে যান। সমুদ্রের তলায় ভাসতে ভাসতে দুই বন্ধু দেখাসাক্ষাৎ সারে। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
আরও পড়ুন:
‘আর/মাইল্ডিইন্টেরেস্টিং’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে রেডিটের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, এক ডুবুরির সামনে বিশাল একটি মাছ ঘোরাফেরা করছে। ডুবুরি সেই মাছের মুখের ভিতর খাবার পুরে দিলেন। তার পর মাছটিকে আদর করতে শুরু করলেন তিনি। এই ঘটনাটি সম্প্রতি জাপানের চিবা প্রিফেকচার তাতেইয়ামা উপকূলের নিকটবর্তী শিন্তো গেটের কাছে ঘটেছে। ৩০ বছর আগে দৈনন্দিন নজরদারির কাজ সারতে সেই এলাকায় ডুব দিয়েছিলেন ডুবুরি হিরোউকি আরাকাওয়া। জাপানের বাসিন্দা তিনি।
নজরদারি করার সময় এশীয় শিপ্সহেড র্যাস প্রজাতির একটি মাছকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন তিনি। মাছটিকে খাইয়েদাইয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ করে আবার সমুদ্রে ছেড়ে দিয়েছিলেন হিরোউকি। ভালবেসে মাছটির নাম ইওরিকো রেখেছিলেন হিরোউকি। তার পর থেকে যখনই তিনি ওই এলাকায় ডুব দেন, তখনই ইওরোকি তাঁর কাছে চলে আসে। ডুবুরির চারদিকে পাক খেয়ে সাঁতার কাটতে থাকে সে। হিরোউকিও তাঁর বন্ধুর জন্য নিয়মিত খাবার নিয়ে যান। ৩০ বছর ধরে জলের তলায় বন্ধুত্ব বজায় রেখেছেন তিনি। ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমের পাতায় ছড়িয়ে পড়লে তা ভালবাসায় ভরিয়ে দেন নেটপাড়ার অধিকাংশ। এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘মাছটি তার বন্ধুর উপকার ভুলতে পারেনি। নিয়ম করে বন্ধুর সঙ্গে দেখা করে যায়। ভিডিয়োটি দেখে মন ভরে গেল।’’