হেলমেট না পরে বাইক চালিয়ে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করেছিলেন বিজেপি নেতা। রাস্তায় দেখতে পেয়ে তাঁকে আটকান এক মহিলা পুলিশকর্মী। ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করার উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। বিষয়টি নিয়ে দু’জনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়। তর্কাতর্কির মাঝেই বিজেপি নেতাকে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে ওই মহিলা ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে। সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ঘটনাটি মধ্যপ্রদেশের ইনদওরের। ঘটনার পর রাস্তা জুড়ে প্রবল হইহট্টগোল শুরু হয়। পথে বসে প্রতিবাদ করেন স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা। সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো প্রকাশিত হয়েছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বিজেপি নেতা বীরেন্দ্র শেন্ডগে তাঁর দু’চাকার যান চালানোর সময় হেলমেট পরেননি। তল্লাশি অভিযানের সময় ওই মহিলা ট্রাফিক পুলিশ তাঁকে থামান। বীরেন্দ্রকে কাগজপত্র দেখাতে বলেন এবং ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনের কথাও জানান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাস্তায় দাঁড়িয়ে উভয় পক্ষই উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েছিলেন। সেই গোলমাল পথচারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি আরও গুরুতর হয়ে ওঠে। বচসার সময় ট্রাফিক পুলিশ আধিকারিক বীরেন্দ্রকে চড় মারেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে ঘটনাস্থলে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়, লোকজন চারপাশে জড়ো হয়ে ফোনে ভিডিয়োটি ক্যামেরাবন্দি করতে শুরু করেন। ভিডিয়োটি ‘কাসিফকাকভি’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করার পর পুলিশের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটাগরিকেরাও।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর পরই ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। একাধিক সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, পরবর্তী তদন্তের জন্য ওই ট্রাফিক পুলিশকর্মীকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, ট্রাফিক আইন প্রয়োগ করা কর্তব্যের অংশ হলেও, কোনও ধরনের শারীরিক আক্রমণ বরদাস্ত করা হবে না। একই সঙ্গে তারা এ-ও জানিয়েছেন যে এই ঘটনায় বিজেপি নেতার ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে।