টানা ২০ ঘণ্টা কাজ করে গাড়ি চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তরুণ। কিন্তু গাড়ি চালাতে চালাতে চোখ লেগে গেল তাঁর। গাড়ির স্টিয়ারিংয়ের উপর মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লেন তিনি। রাস্তায় কয়েক জন তাঁকে এই অবস্থায় দেখে পুলিশকে খবর দেন। সেই খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে গাড়িটি খুঁজে ক্লান্ত তরুণকে উদ্ধার করে পুলিশ। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
আরও পড়ুন:
‘দ্য ফ্যাক্টস ড্যুড’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, একটি গাড়ি রাস্তা ধরে সোজা এগিয়ে চলেছে। পিছন থেকে পুলিশের গাড়ি ধাওয়া করে ক্রমাগত সাইরেন বাজিয়ে চালককে গাড়ি থামানোর নির্দেশ দিচ্ছে। কিন্তু তরুণের সে দিকে কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। কারণ, তিনি তখন ঘুমে একেবারে কাদা। গাড়ি চালাতে চালাতে ঘুমিয়ে পড়েছেন তিনি। বিপদের আশঙ্কা বুঝে পুলিশ অতি সাবধানে সামনে গিয়ে গাড়িটি থামায়।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এই ঘটনাটি গত ১৩ ডিসেম্বর দুপুরে আমেরিকার ওকলাহোমায় ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে যে, টানা ২০ ঘণ্টা কাজ করে গাড়ি চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তরুণ। ক্লান্তি থেকে গাড়ি চালাতে চালাতেই ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গাড়ির ভিতর স্বয়ংক্রিয় ভাবে ‘লেন অ্যাসিস্ট’ চালু করে দিয়েছিলেন তরুণ। চালকের আসনে এক তরুণকে এমন অবস্থায় দেখে পুলিশকে খবর দেন অনেকে।
খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে গাড়িটি খুঁজে বার করে তা মাঝরাস্তায় থামান পুলিশের এক কর্মী। মাঝরাস্তায় গাড়িটি হঠাৎ থেমে যাওয়ায় ঘুম ভাঙে তরুণের। পরে তরুণকে আর গাড়ি চালাতে দেয়নি পুলিশ। তরুণের বাড়িতে খবর পাঠালে তাঁর স্ত্রী ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে বাড়ি নিয়ে যান। পুলিশের এই তৎপরতা দেখে প্রশংসার বন্যা বয়ে যায় নেটপাড়ায়। এক নেটাগরিক এই প্রসঙ্গে লিখেছেন, ‘‘তরুণের বড় কোনও বিপদ হতে পারত। পুলিশ যথাসময়ে পৌঁছে গিয়ে তাঁর প্রাণরক্ষা করেছেন।’’