Advertisement
E-Paper

কী ভাবে গ্রেফতার দাউদ-ঘনিষ্ঠ মাদক ব্যবসায়ী সেলিম দোলা? ইস্তানবুল পুলিশের রুদ্ধশ্বাস অভিযানের ভিডিয়ো প্রকাশ্যে

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি ঘরে হানা দিয়ে দোলাকে গ্রেফতার করছে ‘ইস্তানবুল নারকো পলিস’ (মাদক পুলিশ)-এর দল। ঘরটিতে ব্যাপক ভাবে তল্লাশি করছে তারা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:২০
Video shows how Turkish Police arrest drug lord Salim Dola in Istanbul

ইস্তানবুলে সালিমের ঘরে প্রবেশ করছে পুলিশ। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

ইস্তানবুলে গ্রেফতার পলাতক দাউদ ইব্রাহিমের ঘনিষ্ঠ মাদক ব্যবসায়ী সেলিম দোলা। তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা ‘ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স অর্গানাইজ়েশন’ এবং সে দেশের স্থানীয় পুলিশের যৌথ অভিযানে গত রবিবার ধরা পড়েন তিনি। কিন্তু কী ভাবে যৌথ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় সেলিমকে? সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি ঘরে হানা দিয়ে দোলাকে গ্রেফতার করছে ‘ইস্তানবুল নারকো পলিস’ (মাদক পুলিশ)-এর দল। ঘরটিতে ব্যাপক ভাবে তল্লাশি করছে তারা। প্রতিটি কোণ তন্ন তন্ন করে খুঁজে দেখছেন। ভিডিয়োর শেষে, দোলাকে একটি গাড়িতে চড়িয়ে নিয়ে চলে যেতে দেখা যায় ইস্তানবুলের পুলিশকে। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘ইতেমাদডেলি’ নামে একটি ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে।

উল্লেখ্য, ৫৯ বছর বয়সি সেলিম বড় হয়েছেন মুম্বইয়ের ডোংরিতে। ডোংরির অলিগলিতে বেড়ে উঠেছেন দাউদও। দাউদের ঘনিষ্ঠদের মধ্যে অন্যতম তিনি। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে মাদক মামলায় তাঁর যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ। প্রায় এক দশক আগে ভারত ছেড়ে পালিয়ে যান সেলিম। সেই থেকে বিদেশে বসেই মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন তিনি। বিদেশ থেকেই তিনি একটি আন্তঃরাজ্য মাদক পাচারচক্র চালাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ। দোলাকে ইতিমধ্যেই ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। মাদক কারবারে অভিযুক্ত সেলিম দোলাকে ভারতের হাতে তুলে দিয়েছে তুরস্কের প্রশাসন। মঙ্গলবার সকালে বিমানে করে তাঁকে দিল্লি নিয়ে আসা হয়। দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণের পরে দিল্লির নারকোটিক্‌স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)-র হাতে তুলে দেওয়া হয় দোলাকে।

দিল্লির এনসিবি-র এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সেলিমকে প্রথমে তাঁরা জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। এর পরে মহারাষ্ট্র এবং গুজরাত-সহ অন্য যে রাজ্যগুলিতে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, সেই রাজ্যগুলির কাছে হস্তান্তর করা হবে ধৃতকে। উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে মুম্বই বিমানবন্দরে প্রথম বার গ্রেফতার হয়েছিলেন সেলিম। ওই সময়ে তাঁর কাছে প্রায় ৪০ কেজি মাদক পাওয়া গিয়েছিল। বেশ কিছু মাদক উদ্ধারের ঘটনাতেও সেলিমের নাম উঠে আসে। গত বছর ইন্টারপোলের সাহায্যে ধরা হয়েছিল সেলিমের পুত্র তাহের এবং তাঁর ভাগ্নে মোস্তফা মোহাম্মদ কুব্বাওয়ালাকে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে পাকড়াও করে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছিল তাঁদের। এ বার সেলিমকেও নিজেদের হেফাজতে নিলেন তদন্তকারীরা।

Viral Video Drug Lord Dawood Ibrahim
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy