Advertisement
E-Paper

নড়ল প্রশাসন, বন্ধ হল অবৈধ নির্মাণ

কিছু জায়গায় চাষের জমির মাটি কেটে অবৈধ ভাবে মেছোভেড়ি তৈরি হওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ জুন ২০২১ ০৬:১৪
অবৈধ নির্মাণ বন্ধ করছে প্রশাসন।

অবৈধ নির্মাণ বন্ধ করছে প্রশাসন। ছবি: সামসুল হুদা।

সরকারি জমি জবরদখল করে নির্মাণকাজ চলছে বলে অভিযোগ এসেছিল। জলাজমি ভরাটও চলছিল নির্বিচারে। শনিবার সেই বেআইনি কাজ বন্ধ করতে সক্রিয় হয় প্রশাসন। বিডিও ( ভাঙড় ২) কার্তিক চন্দ্র রায় ও কাশীপুর থানার ওসি সমরেশ ঘোষের নেতৃত্বে অভিযান চলে বিজয়গঞ্জ বাজার, কাঁঠালিয়া, সাতুলি, শোনপুর খালপাড় ও খন্নেরপোলের মতো এলাকায়।

বিজয়গঞ্জ বাজার উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশে পুকুর ভরিয়ে নির্মাণকাজ চলছিল বলে অভিযোগ। এ দিন বিডিও এবং ওসি তা বন্ধ করে দেন। পরে পাম্প চালিয়ে পুকুর জলে ভরিয়ে দেওয়া হয়। বিজয়গঞ্জ বাজারের খালপাড়েও অবৈধ নির্মাণ ভেঙে দেওয়া হয়। প্রশাসনের তরফে সেখানে বৃক্ষরোপণ করা হয়। এ দিন ছিল বিশ্ব পরিবেশ দিবস।

বিডিও বলেন, ‘‘বেশ কিছুদিন ধরে বিভিন্ন জায়গা থেকে বেআইনি নির্মাণ নিয়ে অভিযোগ আসছিল। পুলিশ প্রশাসন ও ভূমি সংস্কার দফতরের কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সেই কাজের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে। নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কয়েকটি জায়গায়। এই অভিযান চলবে। প্রশাসন কোনও ভাবেই এই কাজ বরদাস্ত করবে না।’’

করোনা-মোকাবিলায় নানা বাধানিষেধ জারি করেছে রাজ্য। সরকারি কার্যালয়গুলি কার্যত বন্ধ। ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের কাজকর্ম থমকে রয়েছে। নজরদারি কার্যত নেই বললেই চলে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ভাঙড় ২ ব্লকের কিছু জাগায় সরকারি জমি জবরদখলে নেমে পড়ে অসাধু চক্র।

জলাজমি বুজিয়ে নির্মাণও শুরু হয় কয়েক জায়গায়। শনিবার এ নিয়ে আনন্দবাজারে প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। কিছু জায়গায় চাষের জমির মাটি কেটে অবৈধ ভাবে মেছোভেড়ি তৈরি হওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

রাতের অন্ধকারে ‘মাটি মাফিয়া’রা মাটি কেটে পাচার করছে বিভিন্ন ইটভাটায়। কোথাও আবার খালপাড়ের জমি জবরদখল করে রাতারাতি তৈরি করা হয়েছে দোকান। এই কাজে যুক্তদের কড়া বার্তা দিয়েছে প্রশাসন। অবৈধ নির্মাণ নিয়ে সরব হয়েছেন ভাঙড় ২ পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি কর্মাধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমানও। তিনি বলেন, ‘‘আমার এলাকায় কোথাও কোনও অবৈধ নির্মাণ হলেই আমি সংশ্লিষ্ট দফতরকে জানাই।’’

কয়েক মাস আগে ভাঙড় ২ ব্লকের শানপুকুর, চণ্ডীহাট, নওয়াবাদ, পোলেরহাট, জয়নগর এলাকায় যন্ত্র দিয়ে মাটি কাটার বন্ধ করে দেয় পুলিশ। কয়েকটি যন্ত্র আটক করা হয়। করোনা মোকাবিলায় বিধিনিষেধের জারি হওয়ার পরে ফের সক্রিয় হয় ‘মাটি মাফিয়ারা’। সেখানেও অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy