সারা আলি খান, সোনম কপূর, ভিক্টোরিয়া বেকহ্যাম, এমা থম্পসন-সহ বহু তারকাই পলিসিস্টিক ওভারি ডিজিজ বা পিসিওডি-র শিকার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-এর সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রতি পাঁচ জনের এক জন ভারতীয় নারী এই অসুখে আক্রান্ত। এই রোগকে স্ত্রীরোগ চিকিৎসকেরা মূলত জীবনধারার সমস্যা বা ‘লাইফস্টাইল ডিজ়িজ়’ বলেই ব্যাখ্যা করে থাকেন। অতিরিক্ত ওজনে, রক্তে শর্করা বেড়ে গেলে জরায়ুতে মালার মতো সিস্ট জন্মাতে পারে। খাওয়াদাওয়া নিয়ন্ত্রণ করে ও নিয়মিত শরীরচর্চা করে এই রোগকে বশে আনা যায়।
অনিয়মিত ও তেল-মশলাদার বাইরের খাবার বেশি মাত্রায় খাওয়া এই অসুখের অন্যতম কারণ। ওজন নিয়ন্ত্রণে না রাখতে পারলেও এই অসুখ হতে পারে। পিসিওডি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা প্রয়োজন। তা ছাড়া ঘরোয়া উপায়েও এই রোগের মোকাবিলা করা যায়। চা খেয়েও কমাতে পারেন পিসিওডি-র সমস্যা, এমনটাই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদ দীপশিখা জৈন। পুষ্টিবিদ জানাচ্ছেন কোন চা কী ভাবে পিসিওডি-র প্রকোপ কমাতে, শরীরে হরমোনের ভারসাম্য রাখতে, প্রদাহ কমাতে এবং পেশির সংকোচন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
পুদিনা চা: দীপশিখার মতে, পুদিনা চা হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় কাজ করতে পারে। পাশাপাশি, টেস্টোস্টেরনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে সিসিওএস-এর লক্ষণগুলি উপশমেও সাহায্য করতে পারে।
কালোজিরে চা: পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম প্রায়শই শরীরের উচ্চ প্রদাহের কারণে হয়। পুষ্টিবিদের মতে, নিয়মিত কালোজিরার চা খেলে শরীরে প্রহাদের ঝুঁকি কমে। সব মিলিয়ে পিসিওএস-এর সমস্যা থেকেও রেহাই পাওয়া যায়।
জোয়ান চা: পিসিওএস-এর সমস্যা থাকলে ঋতুস্রাবের সময় প্রবল যন্ত্রণা হয়, এই যন্ত্রণা থেকে উপশম পেতে জোয়ান চায়ে চুমুক দিতে পারেন। এই চা পেটের পেশির সংকোচনকে কমিয়ে, আরামের অনুভূতি দেয়।