Advertisement
E-Paper

Panchayat: পুলিশ ক্যাম্প পঞ্চায়েতে

এ দিন ব্লকের ১০টি পঞ্চায়েতের সমস্ত সরকারি কর্মী মিলে ব্লক প্রশাসনের দফতর ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ জুলাই ২০২১ ০৭:১২
দাবি: ভাঙড় ২ ব্লক অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন পঞ্চায়েতের সরকারি কর্মীরা।

দাবি: ভাঙড় ২ ব্লক অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন পঞ্চায়েতের সরকারি কর্মীরা। ছবি: সামসুল হুদা।

পোলেরহাট ২ পঞ্চায়েত দফতরে হামলার জেরে সরকারি কর্মীদের নিরাপত্তার দাবিতে শুক্রবার ব্লক দফতরে বিক্ষোভ দেখালেন ভাঙড় ২ ব্লকের ১০টি পঞ্চায়েতের সরকারি কর্মীরা। পুলিশ ও বিডিওকে স্মারকলিপিও দেন তাঁরা। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের আশ্বাসে গত কয়েকদিন ধরে চলা কর্মবিরতি তুলে নেন সকলে।

দিন কয়েক আগে পোলেরহাট ২ পঞ্চায়েত দফতরে হামলা, ভাঙচুর ও উপপ্রধান-সহ সরকারি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে জমি কমিটির বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে কর্মবিরতি ঘোষণা করেন ওই পঞ্চায়েতের সরকারি কর্মীরা। তাঁদের সমর্থন জানান ভাঙড় ২ ব্লকের ১০টি পঞ্চায়েতের সমস্ত সরকারি কর্মীরাও। এর জেরে শুরু হয় অচলাবস্থা। সমস্যায় পড়েন সাধারণ মানুষ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার অনুরোধ করা হলেও নিরাপত্তার দাবিতে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন কর্মীরা।

এ দিন ব্লকের ১০টি পঞ্চায়েতের সমস্ত সরকারি কর্মী মিলে ব্লক প্রশাসনের দফতর ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান। হামলার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তির দাবিও তোলেন তাঁরা। পরে বিডিও কার্তিকচন্দ্র রায় ও কাশীপুর থানার ওসি সমরেশ ঘোষের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। দীর্ঘক্ষণ তাঁদের সঙ্গে বৈঠক চলে প্রশাসনের আধিকারিকদের। পরে ব্লক প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পোলেরহাট ২ পঞ্চায়েত দফতরে পুলিশের একটি ক্যাম্প করা হবে। এরপরেই কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার কথা জানান কর্মীরা।

ব্লক প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, “ওঁরা কিছু দাবি জানিয়ে একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন। আমরা সব দিক খতিয়ে দেখছি। ওঁদের নিরাপত্তার বিষয়টি সুনিশ্চিত করার জন্য বলা হয়েছে।” বারুইপুর জেলা পুলিশের এক কর্তার কথায়, “ওই এলাকায় কিছু সমস্যার কারণে পঞ্চায়েত দফতরে পুলিশ ক্যাম্প করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর ফলে পঞ্চায়েত কর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা যাবে।”

পোলেরহাট ২ পঞ্চায়েতের সচিব সুশান্ত দে সরকার বলেন, “বার বার আমাদের পঞ্চায়েতে হামলা চালানো হয়েছে। এ ভাবে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়। তাই আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছিলাম। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের আশ্বস্ত করা হয়েছে। তাই আপাতত আমরা কর্মবিরতি তুলে নিলাম।”

জমি কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মির্জা হাসান বলেন, ‘‘এর আগে ওই পঞ্চায়েতে কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও সমস্যা হয়নি। পঞ্চায়েতের কর্মীদের একটা অংশ তৃণমূলের দলদাস হয়ে কাজ করছেন। সেই নিয়ে কিছু বলতে গেলেই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। ওরা যদি নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করেন, তা হলে কোনও সমস্যা হবে না। কিন্তু দুষ্কৃতীদের পঞ্চায়েতে আনাগোনা কোনও ভাবেই সাধারণ মানুষ মেনে নেবে না।’’

পোলেরহাট ২ পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপপ্রধান হাকিমুল ইসলাম বলেন, ‘‘পঞ্চায়েতের সরকারি কর্মীরা কর্মবিরতি তুলে নেওয়ায় সাধারণ মানুষ পরিষেবা পাবেন। কর্মবিরতি চলতে থাকলে এলাকার উন্নয়ন থমকে যেত।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy