Advertisement
E-Paper

ইমারতি দ্রব্য সরানোর দাবি মগরাহাটে

রাস্তার পাশে ফেলা রয়েছে ইমারতি দ্রব্য। বাড়ছে দুর্ঘটনা। এই অভিযোগে মগরাহাটের রঙ্গনবেড়িয়া মোড়ে মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে প্রায় ৭ ঘণ্টা ধরে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন গাড়ি চালক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ মার্চ ২০১৭ ০১:২৬
পরিত্যক্ত: রাস্তার পাশে পড়ে রয়েছে ইট, বালি। ছবি: দিলীপ নস্কর

পরিত্যক্ত: রাস্তার পাশে পড়ে রয়েছে ইট, বালি। ছবি: দিলীপ নস্কর

রাস্তার পাশে ফেলা রয়েছে ইমারতি দ্রব্য। বাড়ছে দুর্ঘটনা। এই অভিযোগে মগরাহাটের রঙ্গনবেড়িয়া মোড়ে মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে প্রায় ৭ ঘণ্টা ধরে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন গাড়ি চালক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মগরাহাটের ধামুয়া স্টেশন মোড় থেকে ব্যাসপুর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৫ কিলোমিটার রাস্তা দিয়ে ভোর ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত গাড়ি, টোটো, মোটরচালিত ভ্যান চলাচল করে। নৈনান, মহেশপুর, গোলাবাড়ি, পৈলান-সহ ২০-২৫টি গ্রামের মানুষ ওই রাস্তা ব্যবহার করেন। কিন্তু রাস্তার পাশে স্তূপাকারে ইট, বালি, পাথর রাখার জন্য গাড়ি চলাচলের জায়গা কমে গিয়েছে। ঘটছে দুর্ঘটনা। মঙ্গলবার বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, ইমারতি দ্রব্য ফেলে রাখার কারণে মাস দুয়েক আগে ওই রাস্তার কালীতলা মোড়ের কাছে মোটর বাইকের ধাক্কায় এক ব্যক্তি মারা গিয়েছেন। এছাড়া ছোটখাটো দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে। এই নিয়ে আগে বিক্ষোভ দেখানো হলেও লাভ হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছরের মধ্যে ওই রাস্তার পাশে কয়েকটি ইমারতি জিনিসের দোকান তৈরি হয়েছে। রাস্তার দু’পাশে ডাঁই করে রাখা রয়েছে ওই দোকানগুলির ইট, বালি, পাথর। রাস্তার পাশে ট্রাক দাঁড় করিয়ে নামানো হচ্ছে সিমেন্টের বস্তা। এর ফলে রাস্তার জায়গা কমছে। বাড়ছে দুর্ঘটনা। ওই রাস্তার অটো চালক শ্যামল মণ্ডল, জালাল মোল্লারা জানান, রাস্তার পাশে রাখা বালির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়ে সোমবার একটি অটো ধাক্কা পথচারীকে মারে। তার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ ওই অটো চালককে মারধর করে। তার পর গাড়ি চালকেরা রাস্তা থেকে ইমারতি দ্রব্য সরানোর দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। জেলা পুলিশের এক কর্তা জানান, কয়েকটি রাস্তার পাশে নির্মল বাংলা, ইন্দিরা আবাস যোজনার বাড়ি তৈরির জন্য ইমারতি সরঞ্জাম ফেলে রাখা হয়। এই নিয়ে সতর্ক করার জন্য ইমারতি ব্যবসায়ীদের ডাকা হয়েছে।

Building Material
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy