দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিলেন হরিন্দর সিংহ। শুধু তিনি একা নন, তাঁর সঙ্গেই ইস্তফা দেন ওই পুরসভার উপপুরপ্রধান বরুণ নট্ট। ফলে দমদম পুরসভার বোর্ড ভেঙে পড়া এখন সময়ের অপেক্ষা।
মঙ্গলবার পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসারের কাছে নিজেদের ইস্তফাপত্র তুলে দেন হরিন্দর এবং বরুণ। কেন তাঁরা ইস্তফা দিলেন? হরিন্দর বলেন, ‘‘পুরসভায় পর্যাপ্ত কর্মী নেই। মানুষ আসছেন, পরিষেবা চাইছেন কিন্তু পরিষেবা দিতে পারছি না। পরিষেবা দিতে না-পারলে শুধু শুধু চেয়ার দখল করে রাখা ঠিক নয়।’’ পুরপ্রধানের দাবি, দমদম পুরসভায় পর্যাপ্ত কর্মীর অভাব। অনেক দিন বন্ধ রয়েছে কর্মী নিয়োগ। কাজের চাপ বাড়ছে। কিন্তু কর্মীর অভাবে তা করা সম্ভব হচ্ছে না বলে দাবি হরিন্দরের।
পুরপ্রধানের দাবি, চাপের কারণে অবসরপ্রাপ্ত কিছু কর্মীকে দিয়ে পরিষেবার কাজ চালানো হচ্ছিল। কিন্তু রাজ্যে পালাবদলের পর নতুন সরকার ওই সব কর্মীদের দিয়ে কাজ করানো নিয়ে আপত্তি তোলে। তাই কাজ আবার থমকে যায়। এই অবস্থায় দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিলেন হরিন্দর।
আরও পড়ুন:
গত ৩৩ বছর ধরে দমদম পুরসভায় কাউন্সিলর হরিন্দর। ১১-১২ বছর ধরে ওই পুরসভার পুরপ্রধান পদে ছিলেন তিনি। তার আগে উপপুরপ্রধানের দায়িত্বও সামলেছেন। চেয়ারম্যান পদ থেকে হরিন্দরের ইস্তফার পর ভেঙে যেতে চলেছে। সোমবারই ব্যারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেন উত্তম দাস। তাঁর ইস্তফার পরই ভেঙে যায় ব্যারাকপুর পুরসভায় বোর্ড ভেঙে গিয়েছিল।