জাল হোমিওপ্যাথি ওষুধ তৈরির কারখানায় হানা দিয়ে নানা তথ্য হাতে পাচ্ছেন আবগারি দফতরের কর্তারা। কারখানার মালিক রাজকুমার তামেলিকে মঙ্গলবার কাকদ্বীপ আদালতে তোলা হলে তাঁকে ১৪ দিন জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক ভাবে রাজকুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, জাল ওষুধের কারবার ছড়িয়ে পড়েছিল কাকদ্বীপ, পাথরপ্রতিমা-সহ নানা জায়গায়। ‘অর্ডিনারি ডিনেচার্ড স্পিরিট’কে দেশীয় কায়দায় ‘রেক্টিফায়েড স্পিরিট’-এ রূপান্তরিত করা হত রাজকুমারের কারখানায়। আবগারি কর্তারা জানাচ্ছেন, এই কাজের জন্য তাঁদের অনুমোদন লাগে। সে সবের তোয়াক্কা করতেন না রাজকুমার।
আবগারি দফতরের এক কর্তা বলেন, ‘‘অর্ডিনারি ডিনেচার্ড স্পিরিট থেকে রেক্টিফায়েড স্পিরিট তৈরি করতে গেলে বেশ কিছু কারিগরি নির্দেশিকা মানতে হয়। পুরো বিষয়টিই করতে হয় আধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে। তা না হলে প্রাণহানিও ঘটতে পারে।’’