Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৬ জুলাই ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ভিন্ন ভাবে সক্ষমদের নিয়ে পথে নামলেন কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়

কান্তি বলেন, “প্রতিবন্ধীদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য দিল্লিতে ২০১৬ সালে প্রতিবন্ধী আইন পাশ হয়েছে। কিন্তু রাজ্য সেই আইন চালু করছে না। তাই বাধ্

নিজস্ব সংবাদদাতা
কাকদ্বীপ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৯:১৮
Save
Something isn't right! Please refresh.
ভিন্ন ভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের নিয়ে এবার পথে নামলেন কান্তি।

ভিন্ন ভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের নিয়ে এবার পথে নামলেন কান্তি।
নিজস্ব চিত্র।

Popup Close

ভিন্ন ভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের নিয়ে এবার পথে নামলেন ‘রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মিলনী’-র রাজ্য সম্পাদক তথা প্রাক্তন সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়। ৭ দফা দাবি আদায়ে শুক্রবার জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। পরে কাকদ্বীপ মহকুমা শাসকের অফিসের সামনে কান্তির নেতৃত্বে কয়েকশো প্রতিবাদী সভা করেন।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, ২০১৬ সালে কেন্দ্রের তৈরি ‘প্রতিবন্ধী আইন’ অবিলম্বে রাজ্যে লাগু করতে হবে। চাকরিতে সংরক্ষণ, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের আবাস যোজনায় প্রতিবন্ধীদের নাম নথিভুক্ত, মাসিক ভাতা, সামাজিক সুরক্ষা প্রদান, প্রত্যেক সামাজিক প্রকল্পে ২৫ শতাংশ সংরক্ষণ, খাদ্য সুরক্ষার কার্ড, প্রতিটি ব্লকে ভিন্ন ভাবে সক্ষমদের চিহ্নিতকরণ ক্যাম্পের দাবি নিয়ে কান্তির নেতৃত্বে প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ চলে। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ২০১৬ সালের বিশেষ আইন অনুযায়ী কোনও ভাবেই তাঁদের সামাজিক ও অন্যান্য অধিকারকে খর্ব করা যাবে না। কিন্তু এ রাজ্যে ‘প্রতিবন্ধী আইন ২০১৬’ চালু না হওয়ায় তাঁদের নানা সামাজিক সমস্যার মুখে পড়তে হয়। বার বার প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তাই তাঁরা এ বার আন্দোলনের পথে নিয়েছেন।

Advertisement

বিক্ষোভ শেষে কান্তির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল কাকদ্বীপের মহকুমা শাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেয়। দাবি পূরণ না হলে যে বৃহত্তর আন্দোলন শুরু হবে সে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। কান্তি বলেন, “একবিংশ শতাব্দীতেও সামাজিক হেনস্থার মুখে পড়তে হয় প্রতিবন্ধীদের। অথচ তাঁদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য দিল্লিতে ২০১৬ সালে প্রতিবন্ধী আইন পাশ হয়েছে। কিন্তু রাজ্য সেই আইন চালু করছে না। তাই বাধ্য হয়ে পথে নেমেছি।”

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement