দুই পরিবারের বিবাদের জেরে প্রকাশ্য দিবালোকে প্রতিবেশীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন অভিযুক্ত। সোমবার এই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের দুর্গাপুর এলাকায়।নিহতের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহতের নাম হজরত গাজি (৩৯)। অভিযুক্তের নাম সইদুল গাজি।
হজরত এবং সইদুল দু’জনেই দুর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত হজরত দিল্লিতে দর্জির কাজ করতেন। তাই বছরের অধিকাংশ সময়ই সেখানে থাকতেন তিনি। সম্প্রতি দিন কয়েকের জন্য বাড়ি ফিরেছিলেন তিনি। কিছু দিন আগে প্রতিবেশী সইদুলের স্ত্রী তাঁদের বাড়ির দলিল হজরতের কাছে বন্ধক রেখে কিছু টাকা ধার নিয়েছিলেন। এ নিয়ে সইদুল এবং হজরতের মধ্যে বিবাদ চলছিল কয়েক দিন ধরে। পুলিশ জানতে পেরেছে, সোমবার সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে দুর্গাপুর মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন হজরত। সেই সময় আচমকা ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হন সইদুল। অভিযোগ, ধারালো অস্ত্র দিয়ে হজরতের মুখ এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এলোপাথাড়ি কোপ বসান তিনি। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তাতেই লুটিয়ে পড়েন হজরত। চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে পালিয়ে যান সইদুল।
আরও পড়ুন:
-
সার সার গাড়িতে বোঝাই গরু, পাচারের অভিযোগে পুরুলিয়ায় তৃণমূল-বিজেপির চাপানউতর
-
‘একসঙ্গে মা-মেয়ের সঙ্গে ছেলের সম্পর্ক জোর করে বলানো হয়েছে’! সিবিআই তদন্ত দাবি অয়নের বাবার
-
রাজনীতিতে সক্রিয় হোন বা নিষ্ক্রিয়, শোভন আছেন মমতার ‘কানন’-এই, কেন এখনই নীরবতা ভাঙলেন?
-
প্রথম পুরস্কার ফেরত যাচ্ছে সরকারের ঘরে, লটারি সংস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলন বিক্রেতারা
কিছু ক্ষণ পরে সইদুল জয়নগর থানায় আত্মসমর্পণ করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা হজরতকে উদ্ধার করে পদ্মেরহাট গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে অভিযুক্তকে।