Advertisement
E-Paper

প্রজাতন্ত্র দিবসের নিরাপত্তার জন্য বসানো হল রেডিও টেলিফোন

প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাগনা ফরেস্ট অফিসে রেডিও টেলিফোন (আরটি) বসানো হয়েছে। সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে যাতে দ্রুত বিএসএফ, সেনাবাহিনী, উপকূলরক্ষীবাহিনী, বন দফতর এবং উপকূলীয় থানাগুলির মধ্যে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। তার সঙ্গে চলছে জোরদার নজরদারি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২০১৬ ০২:৩৫
চলছে পুলিশি তল্লাশি। ছবি: সামসুল হুদা।

চলছে পুলিশি তল্লাশি। ছবি: সামসুল হুদা।

প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাগনা ফরেস্ট অফিসে রেডিও টেলিফোন (আরটি) বসানো হয়েছে। সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে যাতে দ্রুত বিএসএফ, সেনাবাহিনী, উপকূলরক্ষীবাহিনী, বন দফতর এবং উপকূলীয় থানাগুলির মধ্যে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। তার সঙ্গে চলছে জোরদার নজরদারি। বিশেষ করে সুন্দরবনের নদী, খাঁড়িগুলিতে জোরদার তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রজাতন্ত্র দিবসে দেশের যে কোনও প্রান্তে জঙ্গি নাশকতা রুখতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলার পুলিশ সুপার সুনীল চৌধুরি বলেন, ‘‘প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে যে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রসাশনের সব বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থাগুলি নেওয়া হয়েছে।” ঝড়খালি-সহ যে সব নতুন উপকূলীয় থানাগুলি তৈরি হয়েছে সেখানে জলযানের সমস্যা রয়েছে ঠিকই। তবে উপকূলীয় থানাতে ইন্টার সেপ্টার বোর্ডগুলি কেন্দ্র থেকে দেওয়া হয়। ওই বোর্ডের জন্য আবেদন করা হয়েছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই তার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

মুম্বইয়ে জঙ্গি হামলার পরে সারা দেশ জুড়ে বেশ কিছু উপকূলবর্তী থানা গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তৈরিও হয়েছিল বেশ কয়েকটি উপকূলীয় থানা। কিন্তু সেগুলির পরিকাঠামো এখনও ঠিক নয়। সম্প্রতি বাসন্তী থানাকে ভেঙে ঝড়খালি কোস্টাল থানা তৈরি করা হয়। জলপথে লট ১২৪ ও ১২৫ এলাকায় নজরদারি চালানোর কথা। কিন্তু ঝড়খালি কোস্টাল থানার কাছে জলে নজরদারি চালানোর জন্য কোনও জলযানই নেই। এ ছাড়া উপকূলীয় থানার হাতে যে সব অত্যাধুনিক অস্ত্র থাকার কথা, এদের কাছে তাও নেই। নেই দুরবীন ও নাইট ভিশন চশমা। ঝড়খালির তুলনায় ছোটমোল্লাখালি কোস্টাল থানা পুরনো। কিন্তু সেখানে জলযানের সমস্যা আছে। জলপথে নজরদারি চালানোর জন্য তিনটি স্পিড বোর্ড রয়েছে। কোনও লঞ্চ নেই। একটি ভুটভুটি থাকলেও তা অধিকাংশ সময় খারাপ থাকে।

গত বছর ৩০ আগষ্ট দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগর থেকে ঝড়খালি, গোবর্ধনপুর, পারুলিয়া ও সাগর কোস্টাল থানার উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুন্দরবনের ভারত-বাংলাদেশের বিরাট একটি অংশে জঙ্গল থাকায় সে ভাবে নজরদারি চালানো যায় না। এরপর আবার থানাগুলির পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। ফলে নজরদারির ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে। তার মধ্যে এই সমস্ত এলাকাগুলিতে মৎস্যজীবীদের আনাগোনা রয়েছে। ফলে ছদ্মবেশে মৎস্যজীবী সেজেও ওই এলাকা দিয়ে জঙ্গিরা ঢুকতে পারে। তাই থানাগুলির পরিকাঠামো উন্নত হওয়া দরকার।

রবিবার সুন্দরবনের জলসীমা এলাকার হলদিবাড়ি দ্বীপ পরিদর্শন করেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পূর্ব) অরিজিৎ সিনহা।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy