Advertisement
E-Paper

নথি জমা দেওয়ার পরেও বিবেচনাধীন! ‘আতঙ্কে আত্মঘাতী’ যুবকের দেহ নিয়ে উস্তিতে ধর্নায় তৃণমূল

দক্ষিণ ২৪ পরগনার উস্থির ঘোলা নোয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা রফিক। পরিবার সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিজের বাড়িতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন তিনি।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ মার্চ ২০২৬ ১৩:৪৯
মৃত রফিক আলি গাজী।

মৃত রফিক আলি গাজী। — ফাইল চিত্র।

যা যা নথি চাওয়া হয়েছিল, শুনানিপর্বে সব জমা করেছিলেন। তার পরেও এসআইআরের প্রথম দফার চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর নামের উপর লেখা ‘বিবেচনাধীন’। কেন তাঁর নাম বিবেচনাধীন, পরিবারকে ছেড়ে তাঁকে ডিটেনশন ক্যাম্পে যেতে হবে না তো! এমন নানা দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন ডায়মন্ড হারবারের যুবক রফিক আলি গাজী। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের দাবি, বিবেচনাধীন তালিকায় নাম থাকার আতঙ্কেই আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার উস্তির ঘোলা নোয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা রফিক। পরিবার সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিজের বাড়িতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন তিনি। ঝুলন্ত অবস্থা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। বুধবার সকাল থেকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব দেহ নিয়ে রাস্তায় বসে ধর্না দিচ্ছেন।

প্রতিবেশী নুরুজ্জামান সর্দার বলেন, ‘‘চূড়ান্ত তালিকায় বিবেচনাধীন থাকায় রফিক আতঙ্কে ভুগছিল। আমাদের বার বার জিজ্ঞেস করত, এ বার কী হবে? আমি তো সব কাগজপত্র জমা দিয়েছিলাম। তার পরেও কেন এমন হল। আমাকে এ বার ডিটেশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেবে না তো?’’ পরিবারের দাবি, গত কয়েক দিন ধরেই এসআইআর নিয়ে উদ্বেগে ভুগছিলেন রফিক। পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর পর দুশ্চিন্তায় ভুগছে তারা।

Advertisement

রফিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব নির্বাচন কমিশনের দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁদের দাবি, এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন অনেকের মৃত্যু হয়েছে। এর দায় কমিশনের। মৃতের পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উস্থি থানায় কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

সংক্ষেপে
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) শুরু হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। গ্রাম থেকে শহর, বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছোতে শুরু করেছেন কমিশনের বুথ স্তরের আধিকারিকেরা (বিএলও)। শুরু হয়ে গিয়েছে এনুমারেশন ফর্ম বিলিও।
  • শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, দেশের আরও ১১টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলেও একই সঙ্গে শুরু হয়েছে এসআইআরের কাজ। যাঁরা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন, তাঁদের জন্য অনলাইনে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করার ব্যবস্থা করেছে কমিশন।
SIR Death
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy