Advertisement
E-Paper

সমস্যা টুকটাক, পরিস্থিতি নজরে রাখছে প্রশাসন

সব মিলিয়ে ৬ জনের পরিবার। ইতিমধ্যে নতুন ডিজিটাল রেশন কার্ড পেয়ে গিয়েছেন দু’জন। নতুন কার্ডে চাল, গম ও তুলেছেন। কিন্তু বাকি চার জনের ডিজিটাল কার্ড হাতে আসেনি এখনও। উত্তর ২৪ পরগনার ছোটোজাগুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের কুলবেড়িয়ার ঘটনা। সেখানকার বাসিন্দা সন্ধ্যা বিশ্বাস এবং ছোট মেয়ে সুচিত্রা সাঁতরা ইতিমধ্যেই হাতে পেয়ে গিয়েছেন ডিজিটাল কার্ড। কিন্তু আর দুই ছেলে মেয়ে এবং জামাইরা এখনও পাননি কার্ড।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০২:১০

সব মিলিয়ে ৬ জনের পরিবার। ইতিমধ্যে নতুন ডিজিটাল রেশন কার্ড পেয়ে গিয়েছেন দু’জন। নতুন কার্ডে চাল, গম ও তুলেছেন। কিন্তু বাকি চার জনের ডিজিটাল কার্ড হাতে আসেনি এখনও।

উত্তর ২৪ পরগনার ছোটোজাগুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের কুলবেড়িয়ার ঘটনা। সেখানকার বাসিন্দা সন্ধ্যা বিশ্বাস এবং ছোট মেয়ে সুচিত্রা সাঁতরা ইতিমধ্যেই হাতে পেয়ে গিয়েছেন ডিজিটাল কার্ড। কিন্তু আর দুই ছেলে মেয়ে এবং জামাইরা এখনও পাননি কার্ড। সন্ধ্যাদেবী বলেন, ‘‘বাকিদের কার্ড আনার জন্য আমরা বারবার প়ঞ্চায়েতে যাচ্ছি। এখনও কার্ড পাইনি।’’ তবে আর কিছু দিনের মধ্যেই বাকি কার্ড হাতে পেয়ে যাবেন বলে সেই পরিবারকে জানিয়ে দিয়েছে পঞ্চায়েত। রাজ্যের অন্য জেলার মতো ডিজিটাল কার্ড নিয়ে বিক্ষোভ, ভাঙচুর বা ঘটনা তেমন না ঘটলেও এই জেলার কিছু কিছু জায়গায় সন্ধ্যাদেবীর পরিবারের মতো এখনও সব কার্ড হাতে না পাওয়ার ক্ষোভ রয়েছে। আমডাঙার বাসিন্দা লুৎফর গাজির মতো অন্য অভিযোগও আছে। লুৎফর গাজির নতুন কার্ডে লেখা রয়েছে লুৎফর রহমান।

নিজের নামে ভুল, অভিভাবকের নমে ভুল কিংবা ঠিকানায় ভুলের মতো সমস্যা নিয়ে গ্রামবাসীরা তাদের কাছে আসলেও অপ্রীতিকর কিছু ঘটেনি বলে জানিয়েছেন রেশন ডিলাররা। হাবরার হাটথুবার রেশন ডিলার প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এ দিন বলেন, ‘‘এখন ডিজিটাল কার্ডের বরাদ্দ অনুযায়ি রেশন দেওয়া হচ্ছে। আবার বলা হচ্ছে, পুরোনো রেশনকার্ডেও মাল দিতে হবে। কিন্তু তার কোনও বরাদ্দ আসছে না। পুরোনো কার্ড নিয়ে এসে গ্রাহক অশান্তি করছে।’’

Advertisement

এই জেলায় ডিজিটাল কার্ড বিলি নিয়ে কোথাও কোনও সমস্যা হয়নি জানিয়ে মঙ্গলবার জেলাশাসক মনমীত কৌর নন্দা বলেন, ‘‘জেলায় প্রায় ৬০ লক্ষ ডিজিটাল কার্ড বিলি করা হচ্ছে। কোথাও কোনও ক্ষোভ বিক্ষোভের ঘটনা হয়নি। বাকি কার্ড আগামী ৭ দিনের মধ্যেই বিলি হয়ে যাবে।’’

খাদ্য সরবরাহ দফতরের লোকজন ও ডিলারদের নিয়ে ডিজিটাল কার্ড বিলি ব্যবস্থা দেখভাল করা হচ্ছে জানিয়ে জেলাশাসকের সংযোজন, ‘‘আমরা বিভিন্ন জায়গা ঘুরে অবস্থা পর্যালোচনা, বৈঠক করছি। গোটা ব্যবস্থাটাই নজরে রয়েছে।’’

জেলা খাদ্য ও সরবরাহ নিয়ামক বিশ্বজিৎ বিশ্বাস এ দিন বলেন, ‘‘প্রায় ৮০ শতাংশ ডিজিটাল কার্ড বিলি হয়ে গিয়েছে। কোনও ভুল থাকলে নতুন ফর্মে আবেদনের কথা বলা হয়েছে।’’ বিশ্বজিৎবাবুর আরও বলেন, ‘‘সরকার তো জানিয়েই দিয়েছে ডিজিটাল কার্ড না পেলেও ফর্ম ভর্তি করে আবেদন করলেও রেশন মিলবে। কোনও অসুবিধা হবে না।’’ ওই দফতর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ডিজিটাল রেশন কার্ড বিলির পাশাপাশি তাতে ভুল-ভ্রান্তি নিয়ে যা কিছু সমস্যা রয়েছে তা ঠিক করার কাজও শুরু হয়েছে।

ঘটনাচক্রে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এই জেলারই তৃণমূল সভাপতি। এ দিন তিনি বলেন, ‘‘এই জেলার দেগঙ্গার মতো কোনও জায়গায় সিপিএম ডিজিটাল কার্ড নিয়ে বদমাইশি করার চেষ্টা করেছিল। সে সব বন্ধ করা হয়েছে। জেলায় কোনও অসুবিধা হয়নি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সরকারের ঘোষণা মতো নতুন-পুরনো সমস্ত কার্ড দিয়ে রেশন বিলি দু’একদিনের মধ্যে গোটা রাজ্যে চালু হয়ে যাবে।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy