এ বার ত্রিপুরার আদালত থেকে সমন পাঠানো হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী সময়ে ত্রিপুরার খোয়াই থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। ওই মামলাতে ডাকা হয়েছে অভিষেককে। আগামী ২২ জুন তাঁকে খোয়াই আদালতে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে এই সমন স্পিড পোস্ট মারফত পাঠানো হয়নি। আলিপুর আদালত মারফত এটি পাঠানো হয়েছে। এর জন্য আলিপুর আদালত এক জন বেলিফ নিয়োগ করে। নিয়ম অনুযায়ী, এই ধরনের সমন কাউকে পৌঁছোতে হলে স্থানীয় থানায় জানিয়ে যেতে হয়। এই সমনটি পৌঁছে দেওয়ার জন্য আলিপুর আদালত যে বেলিফকে নিয়োগ করে, তিনি কালীঘাট থানায় যান। তার পরে কালীঘাট থানার বাহিনী বুধবার বিকেলে (মমতা দিল্লি থেকে ফেরার আগে) ওই বেলিফকে নিয়ে যান ৩০বি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে। এটি তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি। তৃণমূল দফতরের সরকারি ঠিকানাও এটি।
সূত্রের খবর, বেলিফের উপর নির্দেশ ছিল হয় অভিষেকের হাতে এই নোটিসটি দিতে হবে কিংবা ওই ঠিকানায় দেওয়ালে সেঁটে দিয়ে তার ছবি তুলে রাখতে হবে। কালীঘাট থানার বাহিনী-সহ বেলিফ যখন অভিষেককে সমন দিতে মমতার বাড়িতে পৌঁছোন, তখন বাড়িলাগোয়া দফতরে উপস্থিত ছিলেন বেশ কয়েকজন নেতা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কুণাল ঘোষও। বাইরে এমন একটি বিষয় ঘটছে শুনতে পেয়ে কুণাল বেরিয়ে আসেন। বেলিফের সঙ্গে তাঁকে বেশ খানিক ক্ষণ কথা বলতে দেখা যায়। সূত্রের খবর, দেওয়ালে না সেঁটে সমনের কাগজ রিসিভ করিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন কুণাল।
এর পরে দেখা যায় ওই বেলিফ মোবাইলে বেশ খানিক ক্ষণ কারও সঙ্গে কথা বলছেন। তার পরে তাঁকে বাড়ির ভিতরে সামনের অংশে ঢুকতে দেখা যায়। সূত্রের খবর, ভিতরের এক জন কর্মীকে দিয়ে রিসিভ করিয়ে ওই কাগজটি দিয়ে গিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচন পরবর্তী সময়ে খোয়াই থানায় যে অভিযোগ হয়েছিল, সেই মামলার প্রেক্ষিতেই ডাকা হয়েছে অভিষেককে। এ বিষয়ে কুণালকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, “ এটি সম্পূর্ণ আইনি বিষয়। এ বিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব না।”