E-Paper

গরম থেকে বাঁচতে স্কুলের সময় এগিয়ে আনতে আবেদন

শিক্ষকেরা জানাচ্ছেন, যে সব স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে, সেখানে এখন ছুটি। বাকি সব স্কুল অবশ্য খোলা। যে সব এলাকায় প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে, সেই সব এলাকাতেও স্কুল খুলে গিয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৬:৩৫

— প্রতীকী চিত্র।

ভোটের আবহে এই তীব্র গরমে যে সমস্ত সরকারি স্কুল এখনও খোলা আছে, সেই সব স্কুলে ক্লাসের সময় এগিয়ে এনে আরও সকালে করার জন্য আবেদন করলেন শিক্ষকদের একাংশ। সোমবার বিকাশ ভবনে শিক্ষাসচিবকে এ নিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা।

শিক্ষকেরা জানাচ্ছেন, যে সব স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে, সেখানে এখন ছুটি। বাকি সব স্কুল অবশ্য খোলা। যে সব এলাকায় প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে, সেই সব এলাকাতেও স্কুল খুলে গিয়েছে। ফলে, এই তীব্র গরমে রোজ স্কুলে যেতে হচ্ছে পড়ুয়াদের। শিক্ষকদের মতে, সব থেকে খারাপ পরিস্থিতি প্রাথমিক স্কুলগুলিতে। কারণ, গ্রামাঞ্চলের বহু প্রাথমিক স্কুলই একতলা, এবং উপরে রয়েছে টিনের চাল। অনেক স্কুলেই রয়েছে মাত্র দু’টি বা তিনটি শ্রেণিকক্ষ। সেই সব শ্রেণিকক্ষে ঠাসাঠাসি করে পড়ুয়াদের বসতে হয়। বহু স্কুলে যথেষ্ট সংখ্যক পাখাও নেই। ফলে, বেলার দিকে স্কুল শুরু হলে আসা-যাওয়া করতে গিয়ে গরমে খুবই কাহিল হয়ে পড়ছে পড়ুয়ারা। গরমের ছুটি পড়ার কথা ১১ মে থেকে। শিক্ষকদের দাবি, ১১ মে পর্যন্ত স্কুল চলুক, কিন্তু ক্লাস শুরু হোক আরও সকাল থেকে।

শিক্ষকেরা জানাচ্ছেন, প্রতি বছরই গরম বেড়ে গেলে আগেভাগে ছুটিদিয়ে দেওয়া হয়। তাতে আবার পঠনপাঠন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই তাঁরা চাইছেন, পড়ুয়াদের কথা বিবেচনা করে আগেই গরমের ছুটি দেওয়ার পরিবর্তে ক্লাসের সময় এগিয়ে এনে আরও সকালে করা হোক। সেই সঙ্গে পড়ুয়াদের জন্য স্কুলে যাতে যথেষ্ট পরিমাণ পানীয় জল এবং ওআরএসের ব্যবস্থা থাকে, সেই ব্যাপারেও আবেদন জানানো হয়েছে। শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধার‌ণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারী বললেন, ‘‘জেলার পরিস্থিতি অনুযায়ী, আমরা ভোরে স্কুল চালু করার নির্দেশিকা জারির আবেদন জানিয়েছি শিক্ষা দফতর, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদে। গরম আরও বাড়লে কিছু দিন অন্তর স্কুল ছুটি রাখার বিষয়েও ভাবা যেতে পারে।’’

শিক্ষা দফতরের এক কর্তা জানিয়েছেন, স্কুলের সময় এগিয়ে আনার কোনও পরিকল্পনা এখনও করা হয়নি। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল বলেন, ‘‘যদি কিছু হয়, সেই সিদ্ধান্ত ভোটের পরে নেওয়া হবে।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

School students Summer Season Government Schools

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy