Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৭ নভেম্বর ২০২১ ই-পেপার

Covid 19: গরিব ঘরের ছাত্রছাত্রীদের নিখরচায় পাঠ ৩৭ কেন্দ্রে

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৫:৫৪
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

আর্থিক ভাবে অনগ্রসর শ্রেণির স্কুলপড়ুয়াদের অনেকেই পরিবারের প্রথম প্রজন্মের শিক্ষার্থী। অনলাইন ক্লাস তারা যদিও বা করতে পারছে, সেই পড়া বাড়িতে দেখিয়ে দেওয়ার মতো কেউ নেই অধিকাংশেরই। গৃহশিক্ষকের কাছে ছেলেমেয়েদের পড়ানোর সামর্থ্যও নেই ওই সব পরিবারের। এই ধরনে পড়ুয়াদের জন্য বিভিন্ন জেলায় করোনা বিধি মেনেই কিছু কোচিং ক্লাসের আয়োজন করেছে শিক্ষক সংগঠন নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতি (এবিটিএ)। সেখানে পড়ানো হচ্ছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

প্রায় দু'বছর স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের উপরে যে-প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে, এখনও হচ্ছে। বার বার উঠে আসছে মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারের সঙ্গে নিম্নবিত্ত পরিবারের শিশুদের ফারাক। অনলাইন ক্লাসের জন্য জরুরি স্মার্টফোন বা কম্পিউটার না-থাকায়, বাড়িতে পড়াশোনা করার পরিবেশের অভাবে বা অতিমারিতে কাজ হারিয়ে অভিভাবকেরা পড়ানোর সামর্থ্য হারিয়ে ফেলায় স্কুলছুট হয়েছে বহু ছেলেমেয়ে। যারা এখনও কোনও মতে পড়া চালিয়ে যাচ্ছে, হরেক প্রতিকূলতা রয়েছে তাদেরও। এই ধরনের পড়ুয়াদের সাহায্য করতেই বিকল্প পাঠদানের জন্য তাদের এই উদ্যোগ বলে জানাচ্ছে এবিটিও।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার পাইন বলেন, “কোভিড বিধি মেনে, শিক্ষকদের টিকা দিয়ে, অন্তত রোটেশন পদ্ধতিতেও স্কুল খোলার আবেদন আমরা বহু বার জানিয়েছি শিক্ষা দফতরের কাছে। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। তাই নিজেরাই বাচ্চাদের সাহায্য করতে উদ্যোগী হয়েছি।” কলকাতার পাশাপাশি বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, মেদিনীপুর, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ইত্যাদি জেলায় ৩৭টি কেন্দ্রে চলছে এই পাঠদান। কোথাও পড়ানো হচ্ছে নবম-দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের, কোথাও আবার পড়ানো হচ্ছে একেবারে নিচু ক্লাস থেকেই। সংগঠনের শিক্ষকেরা বিনামূল্যেই সব বিষয় পড়াচ্ছেন।

Advertisement

সুকুমারবাবু বলেন, “কোনও কোনও এলাকায় শতাধিক পড়ুয়া আসছে। কোভিড বিধি মেনে তাদের কয়েকটি দলে ভাগ করে এবং বড় জায়গা জুড়ে ক্লাস করাচ্ছেন শিক্ষকেরা।” উদ্দেশ্য, এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে অন্তত কিছু দরিদ্র শিশুকে পড়াশোনার মধ্যে ফিরিয়ে আনা। এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে অন্যান্য শিক্ষক সংগঠনও। এমন প্রচেষ্টার কথা ভাবছে তারাও। তবে ওই সব সংগঠন জানাচ্ছে, এর বিস্তার বাড়াতে প্রয়োজন সরকারি সাহায্যের।

আরও পড়ুন

Advertisement