Advertisement
E-Paper

পরিবেশবান্ধব আতশবাজি তৈরির নামে বিপজ্জনক প্রশিক্ষণের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ আতশবাজি সমিতির

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিল সারা বাংলা আতশবাজি উন্নয়ন সমিতি। মঙ্গলবার লেখা ওই চিঠিতে অবিলম্বে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৫৯
fire cracker

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

পশ্চিমবঙ্গে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এবং বিস্ফোরণের আশঙ্কা প্রকাশ করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিল সারা বাংলা আতশবাজি উন্নয়ন সমিতি। মঙ্গলবার লেখা ওই চিঠিতে অবিলম্বে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে। সমিতির চেয়ারম্যান বাবলা রায় অভিযোগ করেছেন, ‘পরিবেশবান্ধব আতশবাজি’র প্রশিক্ষণের আড়ালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজ এলাকায় ‘কোল্ড পাইরো’ নামে কিছু অবৈধ ও বিপজ্জনক আতশবাজি তৈরি শেখানো হচ্ছে। এই পণ্যগুলি আদৌ আতশবাজির আওতাভুক্ত নয় এবং সেগুলি তৈরিতে ‘নাইট্রোসেলুলোস’ ও ‘অ্যামিলিয়াম পারক্লোরেট’-এর মতো উচ্চঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। চিঠিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, এই সমস্ত রাসায়নিক পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এক্সক্লুসিভ সেফটি অর্গানাইজেশন (পিইএসও) কর্তৃক অনুমোদিত নয় এবং নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, লাইসেন্সবিহীন ও প্রশিক্ষণহীন ব্যক্তিদের এই ধরনের শিক্ষা দেওয়া হলে পরিস্থিতি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এই ধরনের বাজি তৈরির শিক্ষা ছড়িয়ে পড়লে তা আর নিয়ন্ত্রণ করাও সম্ভব হবে না এবং তার ফল ভয়াবহ দুর্ঘটনা ও প্রাণহানিতে গিয়ে দাঁড়াতে পারে। সারা বাংলা আতশবাজি উন্নয়ন সমিতি সাম্প্রতিক বারুইপুরের অগ্নিকাণ্ডের প্রসঙ্গও চিঠিতে উল্লেখ করেছে। তাদের দাবি, ওই দুর্ঘটনায় নিম্নমানের, অনুমোদনহীন ও নিষিদ্ধ কাঁচামাল ব্যবহারের ফলেই বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। এই ধরনের ঘটনা রুখতে আতশবাজি প্রস্তুতকারকদের জন্য বন ও পরিবেশ মন্ত্রক এবং ‘ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড অফ টেস্টিং অ্যান্ড ক্যালিব্রেশন ল্যাবরেটরিস’ (এনএ বিএল) অনুমোদিত গবেষণাগার থেকে কাঁচামালের মান পরীক্ষার রিপোর্ট এবং সংশ্লিষ্ট ইনভয়েস সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করার দাবি জানানো হয়েছে। এতে দুর্ঘটনার পর প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা সহজ হবে বলে মত সমিতির।

চিঠিতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, বর্তমানে কোনও রকম নজরদারি ছাড়াই বিভিন্ন রাসায়নিক বাজারে বিক্রি হচ্ছে। এই অবাধ রাসায়নিক বিক্রি বন্ধ না হলে এক দিকে যেমন বেআইনি কার্যকলাপ বাড়বে, তেমনই ক্ষতিগ্রস্ত হবে রাজ্যের আইনসম্মত আতশবাজি শিল্প। ফলে শিল্পে সংস্কার প্রক্রিয়াও থমকে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। চিঠির শেষে সমিতির পক্ষ থেকে দ্রুত ও কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের কাছে ।

Fireworks Mamata Banerjee
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy