×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২৬ জানুয়ারি ২০২১ ই-পেপার

প্রোমোটারকে জমি না দেওয়ায় রাস্তায় ফেলে মারধর যুবকের, অভিযোগ তরুণীর

নিজস্ব সংবাদদাতা
হাওড়া২১ নভেম্বর ২০২০ ২২:৩৬
বাঁ দিকে অভিযুক্ত বিকাশ দাস ও ডান দিকে অভিযোগকারিণী। নিজস্ব চিত্র

বাঁ দিকে অভিযুক্ত বিকাশ দাস ও ডান দিকে অভিযোগকারিণী। নিজস্ব চিত্র

প্রোমোটিংয়ের জন্য জমি না দেওয়ায় তরুণীকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। হাওড়ার পঞ্চানন তলা রোডের ঘটনায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে হাওড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তরুণী।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়া ময়দানের কাছে পঞ্চানন তলা রোডের বাসিন্দা ওই তরুণী অভিযোগ করেছেন বিকাশ দাস নামে স্থানীয় এক যুবকের বিরুদ্ধে। পুলিশকে লিখিত অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বিকাশ ওই তরুণী এবং তাঁর মাসিকে বাড়ি বিক্রি করতে চাপ দিচ্ছেন। এমনকি প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার তাঁকে মারধর করা হয় বলে দাবি ওই তরুণীর।

অভিযোগকারিণী জানিয়েছেন, যে বাড়িটিকে কেন্দ্র করে ঝামেলার সূত্রপাত তা তাঁর মাসির। তাঁর দাবি, এক প্রোমোটারের হয়ে বাড়ি দখল করার কাজে নেমেছেন বিকাশ। তাঁর প্রস্তাবে রাজি না হওয়াতেই পরিকল্পনা করে হামলা করা হয়েছে। বিকাশের নেতৃত্বে কয়েক জন মহিলাও তাতে অংশ নেন বলে অভিযোগ। ওই তরুণী বলেন, ‘‘বিকাশ এক প্রোমোটারের হয়ে কাজ করছেন। মাসির বাড়ি জোর করে বিক্রি করার জন্য চাপও দিচ্ছেন। বাড়ি বিক্রি না করতে চাওয়ায় হামলা করা হয়েছে।’’

Advertisement

আরও পড়ুন: কাজের ‘স্বাধীনতা’ চান ক্ষুব্ধ শুভেন্দু, আগামী সপ্তাহে ফের আলোচনায় সৌগত

আরও পড়ুন: প্রার্থীর নাম জানা নেই, জেলায় জেলায় দেওয়াল লিখন শুরু করে দিল বিজেপি

নিজেকে তৃণমূলের হাওড়া পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কার্যকরী সভাপতি হিসাবে পরিচয় দিয়ে বিকাশ অবশ্য দাবি করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যা। বিকাশের কথায়, ‘‘ওই তরুণী অন্য জায়গার বাসিন্দা। এখানে সবার সঙ্গে তাঁর ঝামেলা। মাসির বাড়িতে বাইরের ছেলে নিয়ে আসেন। আমরা তাতে বাধা দিয়েছি।’’ হাওড়া সদরের তৃণমূল চেয়ারম্যান অরূপ রায় অবশ্য জানিয়ে দিয়েছেন, বিকাশ ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কার্যকরী সভাপতি নন। এমনকি ওই এলাকায় ‘বিকাশ দাস’ নামে তৃণমূলের কোনও সদস্য নেই বলেও জানিয়েছেন অরূপ। এ বিষয়ে সরাসরি কিছু না বললেও হাওড়া সিটি পুলিশের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement