বাড়ি থেকে ডেকে সোমবার বিকেলে এক বৃদ্ধ তৃণমূল কর্মীকে লাঠি-বাঁশ দিয়ে পেটানোর অভিযোগ উঠেছিল কিছু বিজেপি কর্মী-সমর্থকের বিরুদ্ধে। হুগলির পুরশুড়ার কেলেপাড়ায় ওই ঘটনায় জখম শেখ শাহ আলমের (৭১) আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাতে মৃত্যু হওয়ায় খুনের অভিযোগও উঠল। পুলিশ জানায়, তদন্ত শুরু হয়েছে। রাত পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ হয়নি।
বৃদ্ধের ছোট ছেলে শেখ রফিকুল ইসলাম জানান, শাহ আলমের বিরুদ্ধে কোনও দুর্নীতি বা সন্ত্রাসের অভিযোগ ছিল না। তাঁর অভিযোগ, “বিজেপির সাত-আট জন বাবাকে ডেকে বাড়ির সামনেই আচমকা মারধর করল। মা-সহ বাড়ির মহিলারা বাধা দিতে গেলে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। পুলিশকে জানানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগও করা হবে।” নিহতের বড় ছেলে শেখ সইফুল ইসলাম বলেন, “বাবার সঙ্গে গত দু’বছর তৃণমূলের তেমন সম্পর্ক ছিল না। তারকেশ্বরের চাঁপাডাঙায় বাবা একটি হোটেলে কাজ করতেন। পথ দুর্ঘটনার পর বাড়িতেই থাকছিলেন। কোনও কারণ ছাড়া হামলা হল।” রাত পৌনে ৮টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। নিহতের বাড়ির লোকের সঙ্গে কথা বলে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বৃদ্ধের স্ত্রী মর্জিনা বেগম পুলিশকে বিশদে সব জানান।
এ নিয়ে তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া মেলেনি। পুরশুড়ার বিধায়ক বিজেপির বিমান ঘোষ বলেন, “ওই যুবকেরা ভোটের ফল প্রকাশের পরে রাতারাতি বিজেপি হয়। তার পর থেকে সন্ত্রাস করছে। সবাইকে গ্রেফতার করে কড়া ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে পুলিশকে।”
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)