Advertisement
E-Paper

শুভেন্দুর ‘পাতাল’ হুঁশিয়ারির পর আরও এক গ্রেফতার! বাগনানের বিজেপি কর্মী হত্যাকাণ্ডে ধৃত বেড়ে ১১, অধরা ৪০

বাগনানে তৃণমূল নেতার দলবলের হামলায় বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে খুন হন বলে অভিযোগ। শনিবার শুভেন্দু অধিকারী তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬ ১৩:২৫
বাগনানে নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার।

বাগনানে নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার। —নিজস্ব চিত্র।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাগনানে গিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, কাউকে রেয়াত করা হবে না। পাতাল খুঁড়ে হলেও অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে। সেই রাতেই এক জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ এবং সিআইডি-র যৌথ দল। বাগনানে বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে-র খুনের ঘটনায় শনিবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে শেখ সইফুদ্দিনকে। রবিবার তাঁকে আদালতে হাজির করানো হতে পারে।

গত ১৮ জুন বাগনানের আন্টিলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান শেখ মফিজুল ইসলামের বাড়িতে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে খুন হন প্রশান্ত। অভিযোগ, মফিজুল এবং তাঁর দলবদল বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হয়েছিলেন। শুভেন্দু জানিয়েছেন, প্রাণঘাতী অস্ত্র দিয়ে হামলা করা হয়েছিল। এখনও কয়েক জন বিজেপি কর্মী কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কিন্তু প্রশান্তকে বাঁচানো যায়নি। তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে শনিবার বাগনান গিয়েছিলেন শুভেন্দু। সেখান থেকেই জানান, সব অভিযুক্তকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।

বাগনান-কাণ্ডের তদন্ত আগেই তুলে দেওয়া হয়েছিল রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডির হাতে। ১৮ তারিখ ঘটনার দিন আট জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরে আরও দু’জন ধরা পড়েন। এফআইআর-এ মোট ৫১ জনের নাম ছিল। তাঁদেরই এক জনকে শনিবার রাতে ধরল হাওড়া জেলা পুলিশ এবং সিআইডি-র যৌথ দল। হাওড়ার শ্যামপুর থেকে সইফুদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রশান্তের পরিবারকে হাওড়ার জেলাশাসকের দফতরের তরফে চার লক্ষ টাকা অর্থসাহায্য করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর তহবিল থেকেও পাঁচ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে, জানান শুভেন্দু। প্রশান্তের কন্যাকে বিডিও দফতরে চুক্তিভিত্তিক চাকরিও দেবে সরকার। নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়ি থেকে শুভেন্দু শনিবার গিয়েছিলেন বাগনান থানায়। পুলিশ এবং সিআইডি আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। অবিলম্বে বাকি অভিযুক্তদের গ্রেফতারিতে জোর দেওয়ার নির্দেশ দেন। শুভেন্দু বলেছিলেন, ‘‘আগে আইনের শাসন ছিল না। শাসকের আইন ছিল। এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে। সিআইডি-কে বলেছি, সকলকে ধরতে হবে।’’

উল্লেখ্য, রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর এলাকার নেতা মফিজুল অনেক দিন পলাতক ছিলেন। তিনি ফিরলে প্রশান্ত-সহ বিজেপি কর্মীরা তাঁর বাড়িতে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়েছিলেন। বাড়ি ঘেরাও করা হয়েছিল পঞ্চায়েত উপপ্রধানের। তখনই মফিজুলের দলবল প্রাণঘাতী হামলা চালায় বলে অভিযোগ। প্রশান্তকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

Murder Case Bagnan Howrah TMC Suvendu Adhikari

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy