Advertisement
E-Paper

বিস্ফোরক কাণ্ডে নাম নেপালের ফুফু-র

শিলিগুড়ির মাল্লাগুড়ি থেকে উদ্ধার বিস্ফোরক কাণ্ডের তদন্তে নেমে পাচার চক্রের আরেক বড় চাঁইয়ের সন্ধান পেল পুলিশ এবং গোয়েন্দারা। নাম উঠে এল নেপালের আরেক বাসিন্দার। তার নাম ফুফু।

কৌশিক চৌধুরী

শেষ আপডেট: ০৮ নভেম্বর ২০১৬ ০৩:৩২

শিলিগুড়ির মাল্লাগুড়ি থেকে উদ্ধার বিস্ফোরক কাণ্ডের তদন্তে নেমে পাচার চক্রের আরেক বড় চাঁইয়ের সন্ধান পেল পুলিশ এবং গোয়েন্দারা। নাম উঠে এল নেপালের আরেক বাসিন্দার। তার নাম ফুফু।

শনিবার প্রধাননগরের মাল্লাগুড়ির একটি ভাড়া বাড়ি থেকে নেপালের তিন নাগরিক দাওয়া শেরিং ভোটে, তাঁর স্ত্রী পূজা ও তাঁদের প্রতিবেশী কৃষ্ণপ্রসাদ অধিকারীকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের ঘর থেকে উদ্ধার হয় ৬০৯ জিলেটিন স্টিক, ২০০ ডিটোনেটর এবং ৬৩০ মিটার কর্ডেক্স তার।

পুলিশ এবং গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, দাওয়া, পূজা ও কৃষ্ণপ্রসাদকে জেরা করে এই চক্রের এক পাণ্ডা ফুফু-র নাম মিলেছে। ফুফু-র বাড়ি নেপালের বিরতা মোড়ে। পুলিশের দাবি, তার কাছেই জিলেটিন স্টিক এবং ডিটোনেটর জমা দেওয়ার কথা ছিল দাওয়া এবং কৃষ্ণপ্রসাদের। কথা ছিল, ফুফু শিলিগুড়িতে এসে বিস্ফোরক নিয়ে যাবে। ফুফু পেশায় ঠিকাদার। ভারত নেপাল সীমান্তের পানিট্যাঙ্কি ছাড়াও শিলিগুড়িতে যাতায়াত ছিল। শনিবার রাতে দাওয়াকে গ্রেফতারের পরে তার মোবাইল থেকেই পুলিশ ফুফু-র মোবাইলে ফোন করে। তারপর থেকেই ফুফু গা ঢাকা দিয়েছে। ওই ব্যক্তির আসল নাম ফুফু কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পুলিশ জানিযেছে, কৃষ্ণপ্রসাদের ঘর থেকে একটি নেপালি পাসপোর্ট মিলেছে। গত এক বছরে তিনি কুয়েত, মালয়েশিয়া-সহ আরবের দেশগুলিতে গিয়েছেন। কৃষ্ণর দাবি, নিরাপত্তারক্ষীর চাকরির সূত্রে তিনি কয়েকবার বিদেশ যান। চাকরিতে ভাল না লাগায় ফিরে আসেন। চক্রটির পিছনে ফুফু ছাড়াও আরও অনেকে থাকার আশঙ্কা করছে পুলিশ এবং গোয়েন্দারা নিশ্চিত। শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার চেলিং সিমিক লেপচা বলেছেন, ‘‘এই ঘটনায় একটি বড় চক্র রয়েছে বলে তদন্তে বোঝা যাচ্ছে। নতুন নামও উঠে আসছে।’’

পুলিশ সূত্রের খবর, দাওয়ার দাবি, মেঘালয়ের শিলঙে কয়লা খনিতে কাজ করার সুবাদে পাহাড়ি এলাকায় পাথর ভেঙে বাড়ি করা বা মাছ ধরার প্রচলিত পদ্ধতির কাজে বিক্রির জন্য তিনি চোরাপথে বিস্ফোরকগুলি এনেছিলেন। পরে বয়ান বদলে তিনি জেরায় জানিয়েছেন, ফুফু-র হাতে মাল তোলার জন্যই তা মজুত করেছিলেন। ৩টি ব্যাগের জন্য তাঁরা তিন লক্ষ টাকা পেতেন। তদন্তকারীদের সন্দেহ, আরও বিস্ফোরক কোনও ঘাঁটিতে পাচার হয়ে থাকতে পারে। সোমবার সকালে প্রধাননগর থানায় গিয়ে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন সাময়িক ভাবে উত্তরবঙ্গের ভারপ্রাপ্ত আইজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত।

Mallaguri Explosive Case Phu Phu
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy