Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৯ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

প্রতিবাদ থামাতে এ বার সেনা-দাওয়াই ভিএইচপি’র

গিরিশ পার্কে রাজস্থান বিদ্যামন্দিরের সভাগৃহে সিএএ-র সমর্থনে ভিএইচপি-র সভা ছিল রবিবার।

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৪৪
Save
Something isn't right! Please refresh.
সুরেন্দ্র জৈন।

সুরেন্দ্র জৈন।

Popup Close

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ)-বিরোধী আন্দোলনের মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ সব ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনে সেনা নামানোর হুমকি দিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) সর্বভারতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈন! যা থেকে প্রশ্ন উঠেছে, দেশের সেনাবাহিনীকে কি এখন কেন্দ্রীয় সরকারের বদলে ভিএইচপি নিয়ন্ত্রণ করে? তৃণমূলের মহাসচিব তথা রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, ‘‘সেনাবাহিনী কবে থেকে ভিএইচপি-র ক্যাডার হল, বুঝতে পারছি না! সেনা আমাদের কাছে গর্বের। তাদের কাজ দেশকে রক্ষা করা, বিজেপিকে রক্ষা করা নয়। নিজেদের সঙ্কীর্ণ উদ্দেশ্যের সঙ্গে সেনাকে জড়িয়ে ভিএইচপি তাদের অপমান করছে।’’

গিরিশ পার্কে রাজস্থান বিদ্যামন্দিরের সভাগৃহে সিএএ-র সমর্থনে ভিএইচপি-র সভা ছিল রবিবার। সেখানে সিএএ-র বিরোধিতা করার জন্য মমতা, বাম এবং কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন সুরেন্দ্র। তাঁর বক্তব্য, ‘‘মমতাজি বলেছিলেন, সিএএ হলে রক্তপাত, গৃহযুদ্ধ হবে। মুসলমানদের বিভ্রান্ত করে আগুন জ্বালানো হচ্ছে। আমি মমতাজি এবং সব ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিকে হুঁশিয়ারি দিচ্ছি, মুষ্টিমেয় লোক নিয়ে গৃহযুদ্ধ হয় না। দেশের সরকার, সেনাবাহিনী এ সবের মোকাবিলা করতে সক্ষম। আর তার পরে তো আমরা আছিই!’’

সুরেন্দ্রের দাবি, মমতা, বাম, কংগ্রেস এবং ছাত্রসমাজ সিএএ-র বিরুদ্ধে আওয়াজ তুললেও তা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের স্বর নয়। হিন্দু-মুসলিম মিলিয়ে দেশের ৭০% মানুষ সিএএ-র পক্ষে। মানুষের এই মনোভাবকে গুরুত্ব না দিলে ভোটে মমতাকে পস্তাতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন সুরেন্দ্র। এর আগে প্রতিবাদের নামে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি ধ্বংস আটকাতে ‘গুলি করে মারা’র নিদান দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ভিএইচপি-র সুরেন্দ্র আরও এক ধাপ এগিয়েছেন!

Advertisement

তৃণমূল অবশ্য সুরেন্দ্রের ওই বক্তব্যকে আমলই দিচ্ছে না। পার্থবাবু বলেন, ‘‘বাংলার মানুষ সজাগ আছেন। বাইরে থেকে নেতা এনে ভয় দেখিয়ে ধান্দাবাজরা সফল হবে না। আর বাংলার মানুষের মনে যে মমতাই আছেন, তা বার বার প্রমাণিত হয়েছে। এখন মমতার নেতৃত্বে সব ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির এক হওয়া জরুরি।’’ সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিমের বক্তব্য, ‘‘ওই নেতার মন্তব্যেই বোঝা যাচ্ছে, আরএসএস বা ভিএইচপি কী চাইছে! অর্থনীতি-সহ সব দিক থেকে ব্যর্থ একটা সরকারের বিরুদ্ধে মানুষ সম্মিলিত আন্দোলন করছেন। ভিএইচপি-র মতো সংগঠন গুন্ডাবাহিনী আর সাম্প্রদায়িক রং লাগিয়ে তার মোকাবিলা করতে চাইছে। তারা মনে করছে, বিজেপি ক্ষমতায় আছে বলে সেনা, আধা-সেনাও তাদের তাঁবেদারিতে আছে!’’



Something isn't right! Please refresh.

Advertisement