Advertisement
E-Paper

Arpita Mukherjee: ৯৫ রাজডাঙা রোড! অর্পিতা ‘ঠিকানা চুরি’ করেছেন বলে অভিযোগ কসবার ব্যবসায়ীর

একই ঠিকানায় দু’টি অফিস কী ভাবে থাকতে পারে, এ বার তা নিয়ে ধন্দে পড়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২২ ০১:০৯
‘ইচ্ছে এন্টারটেনমেন্ট’ নামে সংস্থার ঠিকানাটি সম্পূর্ণ ‘ভুয়ো’ বলে দাবি

‘ইচ্ছে এন্টারটেনমেন্ট’ নামে সংস্থার ঠিকানাটি সম্পূর্ণ ‘ভুয়ো’ বলে দাবি

অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ‘ইচ্ছে এন্টারটেনমেন্ট’ নামে সংস্থার ঠিকানাটি সম্পূর্ণ ‘ভুয়ো’। বুধবার ‘এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট’ (ইডি)-এর তল্লাশি অভিযান চলাকালীন এমনই অভিযোগ আনলেন স্থানীয় ব্যবসায়ী। ওই ব্যক্তির দাবি, কসবার রাজডাঙার ওই ঠিকানায় যে অফিসঘর রয়েছে, সেটি তাঁদের। অর্পিতার বিরুদ্ধে ‘ঠিকানা চুরি’র অভিযোগ তুলছেন তিনি। একই ঠিকানায় দু’টি অফিস কী ভাবে থাকতে পারে, এ বার তা নিয়ে ধন্দে পড়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা।

ইডি সূত্রে দাবি, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগের মামলায় ধৃত রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে যা সব নথিপত্র উদ্ধার হয়েছে, তা থেকেই অর্পিতার ‘ইচ্ছে এন্টারটেনমেন্ট’ সংস্থার কথা জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, ওই সংস্থার অফিসের ঠিকানা কসবার ৯৫ রাজডাঙা রোড। বুধবার সেখানেই হানা দেন তদন্তকারীরা। দুপুরে তল্লাশি অভিযান চলাকালীন সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীও ছিল। সেই সময় সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে হঠাৎ হাজির হয়ে রণজিৎ কর নামে ওই ব্যক্তি দাবি করেন, অর্পিতার সংস্থার যে ঠিকানা দেওয়া হয়েছে, সেটি আসলে তাঁর ভাইয়ের কেবল টিভি সংস্থার। রণজিতের কথায়, ‘‘এই ঠিকানা অর্পিতার নয়। আমার ভাইয়ের। ভাইয়ের কেবল টিভির অফিস রয়েছে। অর্পিতা মুখোপাধ্যায় আমাদের ঠিকানা চুরি করেছেন।’’ ক্যামেরার সামনে কেবল টিভি অফিসের একটি ট্রেড লাইসেন্সও দেখান তাঁরা।

ইডি অফিসারদের বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করেন অভিযোগকারী দুই ভাই। কিন্তু তাঁরা তল্লাশিতে ব্যস্ত ছিলেন। দুই ভাই জানান, কী ভাবে একটি নথিভুক্ত ঠিকানা নিজের বলে চালানো হল, তা নিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাবেন তাঁরা।

গত সপ্তাহে শুক্রবার অর্পিতার টালিগঞ্জের ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ২২ কোটি টাকা উদ্ধার হওয়ার পর বুধবার ধৃত মডেল-অভিনেত্রীর আরও একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। তার মধ্যেই একটি হল কসবার রাজডাঙার ওই ঠিকানা। এ ছাড়াও অর্পিতার ৮ নম্বর বালিগঞ্জ প্লেস ইস্টের বাড়ি এবং বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে হানা দেয় ইডি। বেলঘরিয়ার রথতলার অভিজাত আবাসনের ওই ফ্ল্যাট থেকে আরও বহু কোটি টাকা কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। পাওয়া গিয়েছে প্রচুর সোনার বাট। যার বাজারমূল্য অন্তত দু’কোটি টাকা হতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। উদ্ধার হয়েছে রৌপ্যমুদ্রাও। বেশ কিছু দলিলও পাওয়া গিয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর।

Arpita Mukherjee ED
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy