ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়ায় (এসআইআর) এ বার নির্বাচন কমিশন তলব করল আরও এক শিল্পীকে। শনিবার বর্ধমানের জেলাশাসকের দফতরে শুনানিতে ডাকা হয় ষাটোর্দ্ধ শিল্পী দিলীপ মৈত্রকে। ২০০২ সাল থেকে টানা ভোট দিয়ে আসার পরও কেনও ডাকা হল তাঁকে তাই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর।
সূত্রের খবর, বর্ধমান পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের রাজগঞ্জ এলাকায় দিদি তিথি সান্যালের সঙ্গে থাকেন করেন দিলীপ। একটা সময়ে টলিউড থেকে বলিউডে বিখ্যাত ছিলেন তিনি। সিনেমার পোস্টার আঁকতেন। অমিতাভ বচ্চন থেকে রাজেশ খন্না, উত্তম কুমার থেকে সূচিত্রা সেন সকলের পোস্টার এঁকেছেন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই পোস্টার আঁকার চল আর তেমন ভাবে নেই সিনেমা জগতে। ফলে কাজ হারান তিনি।
উল্লেখ্য, শুক্রবার জেলাশাসকের দফতরে শুনানি কক্ষে দিলীপবাবু তাঁর অসমের নওগাঁর প্রাথমিক স্কুলের নথির ফোটোকপি জমা দেন। কিন্তু আধিকারিকরা সে নথি মানতে চাননি। তাঁরা তাঁকে আসল কপি আনতে বলেন। কিন্তু সেই আসল কপি দেওয়া সম্ভব নয় তার পক্ষে। কারণ এক সময় তিনি যে স্কুলে পড়াশোনা করেছেন সেই স্কুল থেকে এখন তাঁর শংসাপত্র পাওয়া সম্ভব নয় বলে জানান শিল্পী। সে কারণে খুবই চিন্তায় রয়েছেন তিনি।
শাসকদলের সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলাম জানান, পরিকল্পনাহীন ভাবে গোটা এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে। তাই সাধারণ মানুষকে এইভাবে নাকাল হতে হচ্ছে।
অন্য দিকে, বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র জানান, শাসকদল প্রথম থেকেই এসআইআরের বিপক্ষে ছিলেন।তাই তাঁরা এই প্রক্রিয়া নিয়ে শঙ্কিত। যেভাবে হোক তাঁরা চাইছেন এসআইআর বানচাল করতে।