Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

বিবেকানন্দ কলেজে শিক্ষিকাকে নিগ্রহে অভিযুক্ত ছাত্রকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হল পরিচালন সমিতির বৈঠকে। তবে কলেজ থেকে বহিষ্কার করা হলেও ওই ছাত্র অন্য কলেজে ভর্তি হতে পারবে না, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নি। সোমবার বিকেল নাগাদ কলেজ পরিচালন সমিতির বৈঠক হয়। পরে কলেজের অধ্যক্ষ শিবপ্রসাদ রুদ্র বলেন, “আমাদের পরিচালন সমিতির ১২ সদস্যের মধ্যে ১১ জন হাজির ছিলেন। তার মধ্য্যে ৮ জন বহিষ্কারের প্রস্তাব সমর্থন করেছেন।

শেষ আপডেট: ০৪ নভেম্বর ২০১৪ ০০:৪০

শিক্ষিকা নিগ্রহে অভিযুক্ত ছাত্রকে বহিষ্কার, সিদ্ধান্ত

নিজস্ব সংবাদদাতা • বর্ধমান

বিবেকানন্দ কলেজে শিক্ষিকাকে নিগ্রহে অভিযুক্ত ছাত্রকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হল পরিচালন সমিতির বৈঠকে। তবে কলেজ থেকে বহিষ্কার করা হলেও ওই ছাত্র অন্য কলেজে ভর্তি হতে পারবে না, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নি। সোমবার বিকেল নাগাদ কলেজ পরিচালন সমিতির বৈঠক হয়। পরে কলেজের অধ্যক্ষ শিবপ্রসাদ রুদ্র বলেন, “আমাদের পরিচালন সমিতির ১২ সদস্যের মধ্যে ১১ জন হাজির ছিলেন। তার মধ্য্যে ৮ জন বহিষ্কারের প্রস্তাব সমর্থন করেছেন। তবে দুই শিক্ষাকর্মী প্রতিনিধি এবং ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ হাজরা প্রস্তাব সমর্থন করেন নি। তাঁরা দাবি করেন, আগে তদন্ত করা হোক। তদন্তে ওই ছাত্র দোষি প্রমাণিত হলে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক।” এ দিন পঠন-পাঠনও স্বাভাবিক ছিল। নিগৃহীত অধ্যাপিকা সাত্বকী পোদ্দারও কলেজে এসেছিলেন। পরিচালন সমিতির সদস্যেরা বৈঠক শুরুর আগে সাত্বকীদেবীর সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জানতে চেয়েছিলেন। বুধবার এক সহপাঠিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে আপত্তি করায় দর্শন বিভাগের প্রধান সাত্বকী পোদ্দারকে কলেজের গেটে বহু জনের সামনেই ওই ছাত্রটি চড় মারে বলে অভিযোগ। কিন্তু ঘটনার পরেই ছাত্রটির পাশে দাঁড়িয়ে যায় টিএমসিপি সমর্থিত ছাত্র সংসদ। শিক্ষিকা আক্রান্ত হননি, বরং তিনিই ছাত্রটিকে মারধর করেছেন বলে তারা অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ করে। এরই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার ক্লাস বসকট করেন অধ্যাপকেরা। ছাত্রটিকে বহিষ্কারের দাবিও জানান।

দল বেঁধে জুয়ার ঠেক ভাঙলেন মহিলারা

নিজস্ব সংবাদদাতাপূর্বস্থলী

একটি জুয়ার ঠেক ভেঙে দিলেন স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর মহিলা সদস্যেরা। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার পূর্বস্থলীর শ্রীরামপুর পঞ্চায়েত এলাকায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার শ্রীরামপুর ইউনাইটেড উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠের পাশে বাঁশগাছের ঝোপের আড়ালে দীর্ঘ দিন ধরেই জুয়ার আসর চলছিল। দিনের বেলায় ত্রিপল টাঙিয়ে চলত ওই কারবার। এ দিন স্থানীয় স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর এক মহিলা বাঁশবাগানের সামনে এসে জুয়ার প্রতিবাদ করেন। অভিযোগ, তখন জুয়ার কারবারিরা তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। তার পর ওই মহিলা পঞ্চায়েত অফিসে এসে বিষয়টি স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর অন্য মহিলাদের জানান। খবরটি জানাজানি হওয়ার পর প্রায় মহিলারা দল বেঁধে বাঁশবাগানের কাছে গিয়ে জুয়ার ঠেকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে জুয়াড়িরা চম্পট দেয়। জুয়ার ঠেকে পড়ে থাকা জিনিস কাছের একটি কালীমন্দিরে এনে রাখা হয়। পরে সেগুলি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর সদস্য সবিতা দেবনাথের অভিযোগ, জুয়াড়িদের রমরমার কারনে এলাকায় সাইকেল চুরির প্রবনতা বেড়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, “ভবিষ্যতে ফের জুয়াড়িদের এলাকায় দেখা গেলে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করা হবে।” মহকুমা পুলিশের এক কর্তা বলেন, আগে ওই এলাকার জুয়ার ঠেকে হানা দিয়ে কয়েক জনকে গ্রেফতার করেছে। ফের তল্লাশি চালানো হবে।

অন্ডাল থেকে চিঠি সিঙ্গুরের দুই মন্ত্রীকে

নিজস্ব সংবাদদাতা • দুর্গাপুর

তাদের ‘উপদেশ ও নেতৃত্ব’ দেওয়ার জন্য সিঙ্গুর আন্দোলনের দুই মুখ, তৃণমূলের দুই মন্ত্রী বেচারাম মান্না ও রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের কাছে আর্জি জানাল অন্ডালের কৃষি জমি রক্ষা কমিটি। বর্ধমানের অন্ডালে প্রস্তাবিত বিমাননগরীর জন্য যে জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল, তার মধ্যে ১০৯ একর জমির মালিক প্রায় ৬৩০ জন ‘অনিচ্ছুক’ বলে কমিটির দাবি। ইতিমধ্যে বিজেপি ওই জমিহারাদের সমর্থনে মাঠে নেমেছে। উল্টো দিকে ‘সিঙ্গুর আর অন্ডাল এক নয়’ বলে দাবি করেছেন রাজ্যের আর এক মন্ত্রী মলয় ঘটক। সোমবার বিকেলে ফ্যাক্সবার্তা মারফত নবান্নে কৃষি প্রতিমন্ত্রী বেচারাম এবং পরিসংখ্যান ও পরিকল্পনা রূপায়ন বিষয়ক মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথবাবুর নামে আলাদা চিঠি পাঠায় কমিটি। তাতে বলা হয়েছে, “আপনি সিঙ্গুরের কৃষক ও কৃষিজীবী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কৃষিজমি রক্ষার যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন, তা সমস্ত বাংলার কৃষক ও খেতমজুরের কাছে অনুপ্রেরণাস্বরূপ।... আমাদের আবেদন, আপনি অন্ডালের হতভাগ্য কৃষিজমি হারানো মানুষের পাশে থেকে আপনার মূল্যবান উপদেশ ও নেতৃত্ব দেবেন।” বেচারাম রাতে বলেন, “আমি এখনও কোনও চিঠি হাতে পাইনি। আগে পাই, তার পরে বিবেচনা করব।” রবীন্দ্রনাথবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

পুকুরে মিলল দেহ

নিজস্ব সংবাদদাতা • মন্তেশ্বর

পুকুর থেকে উদ্ধার হল এক নিখোঁজ বধূর মৃতদেহ। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার সন্ধ্যায় মন্তেশ্বরের মাঝেরগ্রাম পঞ্চায়েতের মিরগ্রাম এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম নুরবানু বিবি(৩২)। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে ওই বধূর স্বামী হাসমত শেখ পড়শিদের জানান তাঁর স্ত্রীর খোঁজ মিলছে না। পড়শিরা তাঁকে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করার পরামর্শ দেন। তার আগেই এ দিন সন্ধ্যায় এলাকার পুকুর থেকে ভেসে ওঠে ওই বধূর দেহ। পুলিশ মৃতের স্বামী,শাশুড়ি এবং ননদকে আটক করেছে।

রাস্তার কাজে ক্ষোভ

নিজস্ব সংবাদদাতা • আসানসোল

বিধায়ক তহবিলের টাকা মেলা সত্ত্বেও নিম্নমানের জিনিস দিয়ে রাস্তা তৈরি অভিযোগে সোমবার বিক্ষোভ দেখান বারাবনির চরনপুর গ্রামের বাসিন্দারা। পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সজল চক্রবর্তী ঠিক মতো কাজের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ থামে।

কলেজে আলোচনা

নিজস্ব সংবাদদাতা • দুর্গাপুর

সম্প্রতি দুর্গাপুরে এক বেসরকারি কলেজের হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পক্ষ থেকে হাসপাতালের রোগী পরিষেবা বিষয়ক আলোচনাসভা হল। আলোচনাটি হয় কলেজের সেমিনার হলে। ছিলেন চিকিৎসক ও কলেজের পড়ুয়ারা। কলেজের ওই বিভাগের প্রধান সুদীপ্ত ঘোষাল জানান, কলকাতা ও দুর্গাপুরের বিভিন্ন কলেজের প্রতিনিধিরা আলোচনায় যোগ দিয়েছিলেন।

বল্লভপুরে চণ্ডীপুজো

নিজস্ব সংবাদদাতা • রানিগঞ্জ

জগদ্ধাত্রী পুজোর নবমী ও দশমীতে চণ্ডীপুজোর আয়োজন করল রানিগঞ্জের বল্লভপুর গ্রামের রায় পরিবার। দুর্গাপুজোর মতো এই পুজোতেও গ্রামের মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত।

brief story bard tukro
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy