রাজ্যের সমস্ত গ্রন্থাগারকে ধাপে ধাপে ‘ই-লাইব্রেরি’তে রূপান্তরিত করা হবে— বর্ধমান শহরের এক অনুষ্ঠানে এমনটাই জানালেন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। বুধবার মঙ্গলকোট থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে বর্ধমানের কালীবাজারে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বসে তিনি জানান, রাজ্যে প্রায় আড়াই হাজার গ্রন্থাগার আছে। বিভাগীয় রাজ্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে ঠিক করা হয়েছে, সব গ্রন্থাগারকেই আস্তে আস্তে ই-লাইব্রেরিতে পরিণত করা হবে। সরকারি গ্রন্থাগার, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত গ্রন্থাগার এবং সমস্ত স্কুলের গ্রন্থাগারগুলির তালিকা ধরে ধরে কাজ শুরু হবে। রাজারহাটের গ্রন্থাগারটিকে পুরোপুরি ডিজিটাল লাইব্রেরির মডেল হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলেও মন্ত্রীর আশ্বাস।
এ ছাড়াও পড়ুয়াদের পর্যাপ্ত সহায়ক বই পাওয়ার ব্যবস্থা, গ্রামীণ এলাকার পাঠাগারগুলিতে বাস্তব শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি। মন্ত্রীর পরিকল্পনা, গ্রামীণ লাইব্রেরিগুলিতে কৃষি, উদ্যান পালন, পশুপালন ইত্যাদি বিষয়ে বই রাখা হবে। যাতে কৃষকেরাও লাইব্রেরিতে এসেও কিছু জানতে পারেন। শনি–রবিবার ছুটির দিন গুলিতেও সাধারণ মানুষ ও পাঠকেরা যাতে লাইব্রেরী ব্যবহার করতে পারে তা নিয়ে ভাবনা চলছে বলেও তাঁর দাবি। এ ছাড়াও সর্বশিক্ষা প্রকল্পের আওতায় কীভাবে গ্রন্থাগারের মাধ্যেমে গ্রামীণ এলাকায় নিরক্ষরতা দূর করা যায়, সে নিয়ে ভাবনা চিন্তা চলছে বলেও তাঁর দাবি। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন, ‘‘বিভিন্ন লাইব্রেরিতে ও স্থানীয় এলাকায় অনেকের কাছে প্রাচীন গ্রন্থ থাকে। সেগুলো সংরক্ষণও করতে পারেন না অনেকে। বিজ্ঞাপন দিয়ে সেগুলি দান করার আবেদন জানানো হবে এবং সরকারি ভাবে ডিজিট্যাল পদ্ধতিতে তা সংরক্ষণ করা হবে।’’