E-Paper

দুই উৎসব ঘিরে বাজার চড়া ফল-আনাজের

সরস্বতী পুজোর জন্য ফলের দাম কিছুটা হলেও বেড়েছে। দুর্গাপুরের বেনাচিতি বাজারে এ দিন এক ডজন কলা বিক্রি হয় ৬০ টাকা দরে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:৪৩
কাঁকসার আনাজ বাজারে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়।

কাঁকসার আনাজ বাজারে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। নিজস্ব চিত্র ।

সরস্বতীর আরাধনা ঘিরে জেলা জুড়ে সাজসাজ রব। তাই বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন বাজারে মানুষজনের ভিড় লক্ষ্য করে গিয়েছে। সরস্বতী পুজোর পাশাপাশি গ্রামবাংলায় ‘সিজানো উৎসব’ হয়ে থাকে। সেই কারণে এ দিন আনাজ ও ফলের বাজারে ভিড় অনেকটাই বেশি ছিল। অন্য দিনের তুলনায় ফল ও কিছু কিছু আনাজের দাম সামান্য বেশি বলে জানালেন বিক্রেতা থেকে ক্রেতারা।

সরস্বতী পুজোর জন্য ফলের দাম কিছুটা হলেও বেড়েছে। দুর্গাপুরের বেনাচিতি বাজারে এ দিন এক ডজন কলা বিক্রি হয় ৬০ টাকা দরে। অন্য দিন তা থাকে ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে। আপেল বিক্রি হয়েছে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি ধরে। যা অন্য দিনের তুলনায় কেজিতে প্রায় ৩০ টাকা বেশি। শিষযুক্ত ডাব ৫০ থেকে ৬০ টাকা প্রতিটি দরে বিক্রি হয়েছে বাজারে। কমলালেবু ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। পেয়ারা দেড়শো টাকা কেজি ধরে এদিন বিক্রি হয়েছে। কুল ৮০-১০০ টাকা কেজি, শাঁকালু ৮০ টাকা কেজি। শসা ৮০ টাকা কেজি। পানাগড় বাজারের ফল বিক্রেতা সুরজ প্রসাদ বলেন, “অন্য দিনের তুলনায় প্রতিটা ফলের দামে কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। আসলে জোগান যত কম যাচ্ছে, দাম সেই অনুপাতে বাড়তে থাকে।” দুর্গাপুর চণ্ডীদাস বাজারে ফল কিনতে গিয়েছিলেন শুভজিৎ দাস। তাঁর কথায়, “এ দিন সকাল সকাল বাজার গিয়েছিলাম। তবে দাম অন্য দিনের থেকে কিছুটা বেশি।”

আবার সিজানো উৎসবের জন্য আনাজের দামে হেরফের হয়েছে। কাঁকসার পানাগড় বাজার এলাকায় এ দিন ফুলকপি বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা প্রতিটি হিসাবে। ছোট বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, আর বড় বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মটরশুঁটি ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। ছোট কচু ৬০ টাকা কেজি, বাঁধাকপি ৩০-৩৫ টাকা প্রতিটি দরে বিক্রি হয়েছে এ দিন। টমেটো ৮০ টাকা কেজি। কাঁকসার বাসিন্দা সুব্রত রায়, অনিমা ঘোষরা বলেন, “বাঙালিদের বারো মাসে তেরো পার্বণ। শীতের সময়ে আনাজের দাম কম থাকার কথা। কিন্তু এ বছর কম কিছু দেখতে পেলাম না। থলি ভর্তি করে বাজার করা খুবই সমস্যার।”

কাঁকসার আনাজ বিক্রেতা বাবুলাল আঁকুড়ে বলেন, “কয়েক দিন আনাজের জোগান খুব বেশি হচ্ছে না। ফলের দাম বাড়ছে। আর উৎসবের সময়ে জোগান কম থাকলেই দাম এমনিতেই বেড়ে যায়।”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Kanksa

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy