প্রায় পাঁচ ঘণ্টার উপর তল্লাশির পর রাজু ঝা হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার অভিজিত মণ্ডলকে নিয়ে পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে অম্বুজার নারায়ণ নন্দার অফিসে গেল সিটের দল। নারায়ণ নন্দার আইনজীবী পূজা কুর্মির দাবি, অফিসের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ, স্টোরেজ ডিভিআর এবং গাড়ি থেকে ল্যাপটপ, হলুদ ব্যাগে বেশ কিছু নথি নিয়ে যান তদন্তকারীরা। যে কোনও রকম সহযোগিতা করতে তাঁর মক্কেল প্রস্তুত বলে দাবি করেন নারায়ণের আইনজীবি। অভিজিৎকে নিয়ে পুলিশ কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই অফিসে ঢোকে এবং বেরিয়েও যায় নিরাপত্তার ঘেরাটোপে। লকার ভাঙার জন্য নিয়ে আসা হয় এক ব্যক্তিকে।
কয়লা কারবারে অভিযুক্ত রাজু খুনে অভিজিৎকে আগেই গ্রেফতার করেছে সিট। নানা সূত্রের দাবি, অভিজিৎ রানিগঞ্জের কয়লা কারবারি নারায়ণ খড়কার সংস্থায় কাজ করতেন। এই তথ্যটি সামনে আসার পরে এবং নারায়ণের সিটি সেন্টারের কার্যালয় সিট ‘সিল’ করে দেওয়ায় নিহত রাজু ও নারায়ণের সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা রয়েছে বিভিন্ন মহলে। বিশেষ সূত্রে দাবি, পরিবহণ, বালি ব্যবসা সংক্রান্ত কিছু বিষয় নিয়ে দু’জনের মধ্যে সম্পর্কের ‘অবনতি’ হয়েছিল।