Advertisement
E-Paper

‘আইপিএলে ভাল খেলতে না পারলে ধোনির আন্তর্জাতিক কেরিয়ার শেষ’

ত্যন্ত এলাকায় শহুরে চিকিৎসকেরা আসতে চান না! বর্ধমানের মেমারির আব্দুল কাদের সরকার অবশ্য

Manisha Mukherjee, Shirsendu Chakraborty

শেষ আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০২১ ১৯:৫১
বিধানসভা নির্বাচনে মতুয়া ভোট কোন দিকে যাবে? বিজেপি-র কাছে এখন এটি লাখ টাকার প্রশ্ন। কারণ, দলের অঙ্ক বলছে,
০১ / ০৩

বিধানসভা নির্বাচনে মতুয়া ভোট কোন দিকে যাবে? বিজেপি-র কাছে এখন এটি লাখ টাকার প্রশ্ন। কারণ, দলের অঙ্ক বলছে,

(PTI)

ণ নায়েক। উচ্চৈস্বরে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে শুরু করেন তিনি। মঞ্চে উপস্থিত বিজেপি নেতারাও তাতে শামিল হন। সেই ফাঁকেই দলের স্বেচ্ছাসেবকরা এগিয়ে গিয়ে টেনে টেনে মঞ্চ থেকে লোকদের নামাতে থাকেন তাঁরা। মাইক ধরে সকলকে শান্ত হওয়ার আর্জি জানান শুভেন্দুও। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘‘কোথাও একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ভাবে মিটিয়ে নিতে হবে।’’ তাতেই ধীরে ধীরে উত্তেজনা কাটে। কিন্তু তত ক্ষণে সভার তাল কেটে গিয়েছে। তবে ভুল বোঝাবুঝির কথা বললেও গোটা ঘটনার জন্য নাম না করে তৃণমূলকেই কাঠগড়ায় তোলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘‘এত বছর সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। সিপিএম

কিন্তু কখনও তৃণমূলের মিছিলে ঢিল ছোড়েনি! আর এখন পরিস্থিতি দেখুন। সভা চলাকালীন এলোপাথাড়ি ঢিল পড়ছি
০২ / ০৩

কিন্তু কখনও তৃণমূলের মিছিলে ঢিল ছোড়েনি! আর এখন পরিস্থিতি দেখুন। সভা চলাকালীন এলোপাথাড়ি ঢিল পড়ছি

PTI

 পদ্মশিবিরে রয়েছেন তাঁরা। তৃণমূলের সঙ্গে সাপে-নেউলে সম্পর্ক। সেই তৃণমূলের লোকজনের দলে যোগদান মেনে নিতে পারেননি তাঁরা। তাই অশান্তি বাধান। ভাঙচুর চালান। তৃণমূল যদি হামলা চালিয়ে থাকে, তা হলে যোগদান মেলা বন্ধ রেখে সভা গুটিয়ে চলে যেতে হল কেন ওঁদের? কারণ ওঁরা জানতেন, তৃণমূল থেকে আসা লোকজনের নাম ঘোষণা করলে বিজেপি সমর্থকরা আরও ক্ষেপে উঠবেন। তখন আর পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে না। তাই শুভেন্দুও আর বক্তৃতা করার সাহস দেখালেন না।’’ স্থানীয় সূত্রের খবর, গোকুলনগরের এক তৃণমূল নেতাকে বিজেপি-তে নেওয়ার প্রতিবাদেই গোটা ঘটনার সূত্রপাত। ওই নেতা

-র সভায় নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষ শামিল হননি। অন্যান্য এলাকা থে
০৩ / ০৩

-র সভায় নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষ শামিল হননি। অন্যান্য এলাকা থে

। বাইরে থেকে বাসে চাপিয়ে লোক আনতে হয়নি। বিজেপি-র সভায় নন্দীগ্রা

সভায় লক্ষাধিক মানুষের ভিড় হয়েছে বলে দাবি করেন কৈলাস। যদিও বিজেপি-র স্থানীয় নেতাদেরই একাংশ জানিয়েছেন, ৩০ হাজার মানুষ আসবেন বলে ভেবে রেখেছিলেন তাঁরা। সেইমতো ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। ভিড় যদিও নিরাশ করেনি। তবে তা ‘লক্ষাধিক’ নয়। এ নিয়ে প্রশ্ন করলে প্রসঙ্গে সুফিয়ান বলেন, ‘‘নন্দীগ্রামে বৃহস্পতিবার তো আমাদেরও সভা হয়েছিল। বাইরে থেকে বাসে চাপিয়ে লোক আনতে হয়নি। বিজেপি-র সভায় নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষ শামিল হননি। অন্যান্য এলাকা থেকে লোক আনা হয়েছে। ভিড় দেখিয়ে নন্দীগ্রামের মানুষকে ভোলাতে পারবেন না বিজেপি নেতৃত্ব।’’

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও গ্যালারি

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy