তিন দিন বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে রয়েছে দাঁইহাটের ১৪টি ওয়ার্ড। বাসিন্দাদের দাবি, শুক্রবার সন্ধ্যায় ঝড়-বৃষ্টির পর থেকেই বিদ্যুৎ নেই। সোমবার দাঁইহাট বিদ্যুৎ বন্টন দফতরের অফিসে বিক্ষোভও দেখান তাঁরা। বিদ্যুৎ দফতরের আশ্বাস, দু’এক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
দাঁইহাটের সুকুমার মণ্ডল, ধনঞ্জয় সরকারদের অভিযোগ, শুক্রবারের ঝ়ড়ে পাতাইহাট, বাগটিকরা, চরপাতাইহাট, বকুলতলা শিবতলা এলাকার অন্তত সাতটি বিদ্যুতের খুঁটি ছিঁড়ে গিয়েছে। তারপর থেকেই বিদ্যুতের অভাবে পাম্প চালানো যাচ্ছে না। পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে শহরে। এটিএম পরিষেবাও তিন দিন ধরে বন্ধ বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাঁরা জানান, শনিবার বেলা ১২টা নাগাদ ভাউ সিং এলাকায় মিনিট পনেরোর জন্য বিদ্যুৎ এসেছিল। তারপর থেকে আর আসেনি। বিদ্যুৎ দফতরে খবর দেওয়া হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাঁদের অভিযোগ। তাঁরা জানান, বিদ্যুৎ বিভাগের টোল ফ্রি ১৮০০ ৩৪৫৩২০১ নম্বরটিও বন্ধ। ফলে সেখান থেকেও অভিযোগ জানাতে পারেননি তাঁরা। শনিবার বিকেলে বিদ্যুৎ দফতরের একাংশে ভাঙচুরও চালান গ্রামবাসীদের একাংশ। সোমবার ফের বিক্ষোভ দেকানোর পরে দাঁইহাট বিদ্যুৎ দফতররে সহকারী ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল ইসলাম খান বলেন, ‘‘বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ব্যাক্তিগত কারণে এসএম আজ অনুপস্থিত।’’ আজ মঙ্গলবার এসএম এই বিষয়ে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেবেন বলেও তাঁর দাবি।