E-Paper

‘রিপোর্ট কার্ড’, ট্রাইবুনালে আর্জির ফর্ম নিয়ে বাড়িতে যাচ্ছে তৃণমূল

এই বিধানসভায় প্রায় ১০ হাজার জনের নাম বাদ পড়েছে ভোটার তালিকা থেকে। তাঁদের পাশে দাঁড়াতে পরিকল্পনা করেছে তৃণমূল।

সুব্রত সীট

শেষ আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ০০:১৮
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

এসআইআরে পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা এলাকায় নাম বাদ গিয়েছে প্রায় দশ হাজার বাসিন্দার। তাঁদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ট্রাইবুনালে আবেদনে সহায়তার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তৃণমূল। পাশাপাশি, পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার উন্নয়ন নিয়ে তৈরি করা হয়েছে ছ’পাতার ‘পাণ্ডবেশ্বর ফাইলস’।বাড়ি বাড়ি বিলি করা হচ্ছে সে রিপোর্ট কার্ড।

পর পর দুটি বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে এই কেন্দ্রে সামান্য ব্যবধানে জিতেছে তৃণমূল। গত বারের মতোই, বিজেপি এ বার প্রার্থী করেছে জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে এবং তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। তৃণমূলের দাবি, গত পাঁচ বছরে বিধানসভা এলাকায় বহু উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। যেমন, ৩৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন রাস্তা ও নিকাশি ব্যবস্থার মানোন্নয়ন। আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরি হচ্ছে ৪,১৮৩ জনের। লক্ষ্মীর ভান্ডার পাচ্ছেন ৬২,৭৬৯ জন মহিলা। ‘কৃষকবন্ধু’ পান ২৩,১৬৯ জন চাষি। রিপোর্ট কার্ডে এ সবের উল্লেখের পাশাপাশি, ভবিষ্যতে পাণ্ডবেশ্বরে শিল্পতালুক গড়ে বেকারদের কর্মসংস্থান, বীরভূমের সঙ্গে সংযোগকারী রিং রোড, জেমুয়ায় কুনুর নদের উপরে সেতু তৈরি-সহ নানা প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে। দলের দাবি, এমন এক লক্ষ রিপোর্ট কার্ড বাড়ি বাড়ি বিলি করা হবে।

এই বিধানসভায় প্রায় ১০ হাজার জনের নাম বাদ পড়েছে ভোটার তালিকা থেকে। তাঁদের পাশে দাঁড়াতে পরিকল্পনা করেছে তৃণমূল। ইতিমধ্যে তাঁদের জন্য সেই সংখ্যক ফর্ম ছাপানো হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তা পূরণ করিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া, আধুনিক প্রজন্মের জন্যচালু করা হয়েছে কিউআর কোড। তৃণমূল নেতৃত্ব জানান, মোবাইলে সেটি স্ক্যান করলে একটি ফর্ম আসবে। তা পূরণ করে দিলেই হবে। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, দলের কর্মীরা ছাপানো ফর্ম নিয়ে বাড়ি যাওয়া শুরু করেছেন। ফর্ম পূরণ করিয়ে জেলাশাসকের দফতরে জমা দেওয়া, প্রয়োজন অনুযায়ী আইনজীবী দেওয়া— সব রকম ভাবে পাশে থাকবে তৃণমূল। দলের অন্যতম জেলা সম্পাদক পঙ্কজ রায় সরকারের বক্তব্য, “বিজেপির চক্রান্তে এত মানুষের নাম বাদপড়েছে। আমরা তাঁদের পাশে সব রকম ভাবে আছি। কারণ, তাঁদের মতোই চিন্তিত আমরাও।”

বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্রর পাল্টা দাবি, ‘‘তৃণমূল প্রথম থেকে বলেছিল, এসআইআরে ওরা মানুষের পাশে আছে। মূর্খেরা ফর্ম পূরণ করে দিয়েছিল বলেই আজ এত মানুষকে ট্রাইবুনালে যেতে হচ্ছে। আমি পাণ্ডবেশ্বরেবাসীকে অনুরোধ করব, ওদের খপ্পরে আর পড়বেন না।’’ তাঁর সংযোজন: ‘‘তৃণমূলের উন্নয়ন কী, সেটা সবাই জানেন। এ বারের নির্বাচনে মানুষ যা বোঝানোর বুঝিয়ে দেবেন।”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Pandabeswar TMC

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy