Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০২ জুলাই ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

কাটোয়ায় মহিলার রক্তাক্ত দেহ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন ভোরে একাইহাট দাসপাড়ায় রিঙ্কু দাস (৪২) নামে ওই মহিলা পুজোর ফুল তুলতে যেতেন। সঙ্গে যেতেন তাঁর আত

নিজস্ব সংবাদদাতা
কাটোয়া ১২ অক্টোবর ২০১৮ ০২:০১
Save
Something isn't right! Please refresh.
—প্রতীকী ছবি

—প্রতীকী ছবি

Popup Close

বাড়ি থেকে মহিলার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হল কাটোয়ায়। বৃহস্পতিবার সকালে শহরের একাইহাটে ঘরের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় বিধবা ওই মহিলাকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন প্রতিবেশী ও আত্মীয়েরা। কী কারণে এই খুন, সে নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন ভোরে একাইহাট দাসপাড়ায় রিঙ্কু দাস (৪২) নামে ওই মহিলা পুজোর ফুল তুলতে যেতেন। সঙ্গে যেতেন তাঁর আত্মীয় বছর চোদ্দোর একটি মেয়ে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা নাগাদ ফুল তুলতে বেরিয়ে রিঙ্কুদেবীকে না দেখে তাঁর বাড়ির দরজায় ঠেলা দেয় মেয়েটি। তখনই দেখা যায়, ভিতরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন তিনি। প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যে ঘরে গলা কাটা দেহ পড়েছিল, সেই ঘরে পাখা ও টিভি চলছিল। দেহের পাশে রক্তমাখা ছুরি, পুরুষ ও মহিলার কয়েকটি রক্তমাখা অন্তর্বাস, একটি মোবাইল মিলেছে। বছর দুয়েক আগে তাঁর স্বামী, রঙের মিস্ত্রি সন্তোষ দাসকে একাইহাট পাটবাড়ি এলাকার কালাচাঁদ আশ্রমে গলায় গামছা পেঁচিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। ওই ঘটনার পর থেকে টিনের চাল দেওয়া এক কামরার বাড়িতে একাই থাকতেন রিঙ্কুদেবী। তাঁর দুই ছেলে সুমন ও সজল মুম্বইয়ে হোটেলে কাজ করেন।

Advertisement

১ অক্টোবর পুজো উপলক্ষে বাড়ি ফিরেছিলেন মৃতার বড় ছেলে, বছর বাইশের সুমন। তিনি জানান, সোমবার জন্মদিন উপলক্ষে একাইহাটে থাকলেও মঙ্গলবার জামালপুরে মামরবাড়িতে চলে যান। ভাই সজল মুম্বইয়েই রয়েছেন। সুমন এ দিন বলেন, ‘‘ভোরে ফোনে খবর পেয়ে একাইহাট ফিরেছি। বাবার মৃত্যুর সঙ্গে মায়ের মৃত্যুর কোনও সম্পর্ক আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখুক পুলিশ।’’ মৃতার শ্বশুর নিরঞ্জন দাস বলেন, ‘‘ছেলের পরে বৌমারও এ ভাবে মৃত্যু হবে, আমাদের কল্পনারও বাইরে!’’

প্রতিবেশীদের একাংশের দাবি, ওই মহিলার ঘরে কিছু লোকজনের আনাগোনা ছিল। মাঝে-মাঝে কথাবার্তা, হাসি-গল্পের আওয়াজ পাওয়া যেত। নানা সম্পর্কে টানাপড়েনের জেরেই এই খুন বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের। কাটোয়া থানার পুলিশ জানায়, সব দিক মাথায় রেখেই তদন্ত শুরু হয়েছে।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement