Advertisement
E-Paper

তৃণমূলের হামলা পরিকল্পিত, দাবি করলেন শমীক

হাসপাতালে গিয়ে প্রহৃত দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে পরিকল্পিত ভাবে তৃণমূল হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করলেন বিজেপির বিধায়ক শমীক ভট্টাচার্য। পরে বিডিও-র সঙ্গে দেখা করে অভিযুক্তদের নামে থানায় অভিযোগ করার কথাও বলেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ অগস্ট ২০১৫ ০১:২২
হাসপাতালে বিধায়ক। —নিজস্ব চিত্র।

হাসপাতালে বিধায়ক। —নিজস্ব চিত্র।

হাসপাতালে গিয়ে প্রহৃত দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে পরিকল্পিত ভাবে তৃণমূল হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করলেন বিজেপির বিধায়ক শমীক ভট্টাচার্য। পরে বিডিও-র সঙ্গে দেখা করে অভিযুক্তদের নামে থানায় অভিযোগ করার কথাও বলেন। যদিও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাতেই জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (কাটোয়া) সঙ্গে দেখা করে মঙ্গলকোট সদর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান শান্ত সরকার-সহ ৬ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন বিজেপির ব্লক সভাপতি শিশির ঘোষ। মঙ্গলকোটের বিডিও সুশান্তকুমার মণ্ডল এ দিন দাবি করেন, ‘‘পুলিশ চার জনকে গ্রেফতার করেছে।’’

শুক্রবার বেলা আড়াইটে নাগাদ মঙ্গলকোট ব্লক অফিসে সদলবলে ঢোকেন শমীকবাবু। কিন্তু সঙ্গের প্রায় ৭০ জন কর্মীকে বাধা দেয় পুলিশ। খবর শুনে বিডিও-র ঘরের কাছে বসে পড়েন বিজেপির একমাত্র বিধায়ক-সহ জেলার অন্য নেতারা। কয়েক মিনিট পড়েই অবশ্য পুলিশ দলীয় কর্মীদের ছেড়ে দেয়। অবস্থান তুলে নেন বিজেপির নেতারাও। বিজেপির দাবি, বৃহস্পতিবার দুপুরে মঙ্গলকোটের ব্লক অফিসে খাদ্য সুরক্ষার ফর্ম বিলি নিয়ে দলবাজি ও শিলাবৃষ্টিতে প্রকৃত চাষিদের ক্ষতিপূরণের দাবিতে অবস্থান করার সময়ে তৃণমূল সিসিটিভি বন্ধ করে তাঁদের উপর হামলা চালায়। তাতে মঙ্গলকোটের কোটালঘোষের সত্যনারায়ণ ভট্টাচার্য ও পালিগ্রামের মাঝিখাঁড়ার আশুতোষ দাস বৈরাগ্য গুরুতর জখমও হন। আপাতত কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তাঁরা। এ দিন সেখানেও যান শমীকবাবু। দেখা করেন তাঁদের পরিবারের সঙ্গেও।

ব্লক অফিস থেকে বেরিয়ে শমীকবাবু অভিযোগ করেন, “পরিকল্পিত ভাবে আক্রমণ করা হয়েছে। বিডিও এই ঘটনার দায় এড়াতে পারেন না। তাই তাঁকে এফআইআর করার জন্য বলেছি।’’ তাঁর দাবি, এফআইআর না হলে লাহাতার আন্দোলন চলবে। বিডিও অবশ্য জানিয়েছেন, আইন মোতাবেক যা ব্যবস্থা নেওয়ার, তিনি নিয়েছেন। আর তৃণমূলের মঙ্গলকোট ব্লকের সভাপতি অপূর্ব চৌধুরীর দাবি, “যে সব বিজেপি নেতা আন্দোলন করছেন, তাঁরা সব রকম ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। তার প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে। আসলে বাজার গরম করতে চাইছে বিজেপি।” কোনও রকম ঘটনা না ঘটে সে জন্য সকালে মঙ্গলকোটের দলীয় দফতরে বসে তিনি স্থানীয় নেতা ও কর্মীদের এ দিন ব্লক অফিসে না যাওয়ার নির্দেশও দেন বলেও অপূর্ববাবুর দাবি। এর পরেও কয়েকজন ব্লক অফিসে গেলে পঞ্চায়েত সমিতির এক কর্মাধ্যক্ষ তাঁদের চলে যেতে বলেন। অপূর্ববাবু বলেন, “প্রচার পাওয়ার জন্য বিজেপি নানারকম প্ররোচনা দেবে। তাতে আমাদের কেউ যাতে পা না দেন, তার জন্য সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।”

Advertisement
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy