E-Paper

কর্মীরা আক্রান্ত, হুঁশিয়ারি শমীকের

শমীকের অভিযোগ, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেস ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) শুরু থেকে অশান্তি করছে। তৃণমূল একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে উস্কানি দিচ্ছে। ধর্মীয় মেরুকরণ করার চেষ্টা করছে। আমি আবেদন করব, কোনও রকম সাম্প্রদায়িক প্ররোচনায় পা দেবেন না, আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবেন না।’’

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ মার্চ ২০২৬ ০৯:২৩
শমীক ভট্টাচার্য।

শমীক ভট্টাচার্য। — ফাইল চিত্র।

একাধিক জায়গায় দলীয় কর্মীরা আক্রমণের মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ করল বিজেপি। বিধাননগরে দলের দফতর থেকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, ‘‘কলকাতার একাংশ, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা-সহ একাধিক জেলায় বিজেপি কর্মীদের উপরে আক্রমণ করা হচ্ছে। ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অনেকে ঘরছাড়া। পুলিশ অভিযোগ নিচ্ছে না।’’ শমীকের অভিযোগ, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেস ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) শুরু থেকে অশান্তি করছে। তৃণমূল একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে উস্কানি দিচ্ছে। ধর্মীয় মেরুকরণ করার চেষ্টা করছে। আমি আবেদন করব, কোনও রকম সাম্প্রদায়িক প্ররোচনায় পা দেবেন না, আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবেন না।’’ এর পরেই হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেন, ‘‘পুলিশ-প্রশাসন, সিভিক ভলান্টিয়ার, সরকারি আধিকারিকদের বলছি, তৃণমূল নেই। সরকারটা চলে গিয়েছে! আপনাদের পছন্দ হোক বা না হোক, আগামী দিন আপনাদের বিজেপি সরকারের সঙ্গে কাজ করতে হবে। এই বিষয়টা মাথায় রেখে সচেতন ভাবে কাজ করুন।’’ তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী পাল্টা বলেছেন, ‘‘স্বপ্ন দেখার উপরে কেন্দ্রীয় সরকার এখনও জিএসটি বসায়নি! তাই যে কেউ দিবাস্বপ্ন দেখতে পারেন। ২০২১ সালে বলেছিলেন দু’শো পার, ৭৭-এ থেমে গিয়েছিলেন। ২০২৪ সালে বলেছিলেন ৩৫ পার। তৃণমূল প্রায় ৩০টা আসন জিতেছিল। সেই ‘ক্রনোলজি’ অনুযায়ী চতুর্থ বারের জন্যও মা-মাটি-মানুষ সরকার হবে। শমীক যা বলছেন, তা আসলে হুমকি সংস্কৃতি।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

BJP

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy