Advertisement
E-Paper

কেতুগ্রামের পর তারকেশ্বর, ফের স্ত্রীকে শুনানির নোটিস ধরালেন বিএলও স্বামী, বললেন, প্রযুক্তিগত ত্রুটিতেই এই ভুল!

বিএলও সুব্রত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে এই ভুল। যার ফলে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। আমি আমার স্ত্রীকেই শুনানির নোটিস দিয়েছি। অথচ তার ম্যাপিংয়ে সবই ঠিক ছিল।”

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:১৪
(বাঁ দিকে) স্ত্রী সুস্মিতা মজুমদারের হাতে নোটিস তুলে দিচ্ছেন বিএলও রাজশেখর মজুমদার (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) স্ত্রী সুস্মিতা মজুমদারের হাতে নোটিস তুলে দিচ্ছেন বিএলও রাজশেখর মজুমদার (ডান দিকে)। —নিজস্ব চিত্র।

পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের পর হুগলির তারকেশ্বর। ফের স্ত্রীকে শুনানির নোটিস ধরালেন বিএলও স্বামী। তারকেশ্বর পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাজশেখর মজুমদার তারকেশ্বর বিধানসভার ২৪৮ নম্বর বুথের বিএলও। রাজশেখরের স্ত্রী সুস্মিতা মজুমদারের নামে শুনানির নোটিস এসেছে। বিএলও হিসাবে সেই নোটিস দিতে হয়েছে রাজশেখরকেই।

সুস্মিতার পিতা সুব্রত চট্টোপাধ্যায় সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ২০০২ এর ভোটার তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল সুস্মিতার পিতামহ ভূপেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের। পিতামহের ভোটার কার্ডের তথ্য বলছে, তিনি ১৭৭ নম্বর জাঙ্গিপাড়া বিধানসভার ১০৪ নম্বর বুথের ১৭০ ক্রমিক নম্বরের ভোটার। পিতার নাম না-থাকায় এসআইআরের ফর্মে পিতামহের নামে ম্যাপিং করান সুস্মিতা। কিন্তু পিতামহের সঙ্গে তাঁর বয়সের ফারাক মাত্র ৪০, এ কথা জানিয়ে শুনানির নোটিস ধরানো হয় তাঁকে।

যদিও ২০০২-এর ভোটার তালিকায় সুস্মিতার পিতামহের বয়স উল্লেখ করা হয়েছে ৮১। এখন বেঁচে থাকলে তাঁর বয়স হত ১০৫। তিনি প্রয়াত হন ২০১০ সালে। এখন সুস্মিতার বয়স ৩৭ বছর। এই হিসাব মানলে দু’জনের বয়সের ফারাক ৬৫ হওয়ার কথা, ৪০ নয়।

এই প্রসঙ্গে সুস্মিতার স্বামী বলেন, “প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে এই ভুল। যার ফলে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। আমি আমার স্ত্রীকেই শুনানির নোটিস দিয়েছি। অথচ তার ম্যাপিংয়ে সবই ঠিক ছিল।” একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, “বিএলওদের এখানে কোনও গাফিলতি নেই, নির্বাচন কমিশনের গাফিলতির ফলে ভুগতে হচ্ছে সাধরণ মানুষকে।”

প্রসঙ্গত, বুধবারই পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামে স্ত্রীকে শুনানির নোটিস ধরিয়েছেন অধুনা বিএলও হিসাবে কর্মরত প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক দেবশঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। নোটিস এসেছে দেবশঙ্করের নামেও। বিএলও দেবশঙ্কর জানান, তাঁর বাবার নাম পুলকেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নামের বানান সঠিক ছিল। কিন্তু এ বার ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ (যুক্তিগত গরমিল)-র কারণে পদবির বানান ভুল দেখানো হয়েছে। সেই কারণে তিনি শুনানির নোটিস পেয়েছেন। অন্য দিকে, স্ত্রীর বাপের বাড়ি নদিয়ার নাকাশিপাড়া থানার মাঝেরগ্রামে। তাঁর বাবার নাম অনিল চট্টোপাধ্যায়। ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’-র কারণে বাবা-মেয়ের বয়সের পার্থক্য হয়েছে ৫০ বছর। তাই তাঁকেও নোটিস দিয়েছে কমিশন।

SIR BLO Hearing
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy