সরকারি হোমে থাকাকালীন এক কিশোরের ‘অস্বাভাবিক মৃত্যু’র তদন্তে এ বার জলপাইগুড়ি পৌঁছল সিবিআইয়ের তদন্তকারী দল। বুধবার জলপাইগুড়ির কোরক নামের ওই হোমে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাটির তদন্তকারীরা।
কলকাতা হাই কোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের নির্দেশে লাবু ইসলামের মৃত্যু মামলার তদন্তে নেমেছে সিবিআই। কোচবিহার জেলার টাপুরহাট এলাকার বাসিন্দা লাবুর বিরুদ্ধে মাদক মামলা ঝুলছিল। ২০২১ সালের ২৪ অগস্ট মারপিটের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। ওই মামলার অভিযুক্ত থাকাকালীন জলপাইগুড়ি জুভেনাইল হোম কোরক-এ ছিল সে। হোমে থাকাকালীন ১৫ ডিসেম্বর সে আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। যদিও এ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে লাবুর পরিবার। তাদের দাবি, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ১৭ বছরের লাবুর বয়স-সহ নানা তথ্যে গরমিল রয়েছে। লাবুকে খুনের অভিযোগ তুলে পুনরায় ময়নাতদন্তের দাবি তুলেছিলেন তাঁর মা সাহিদা বিবি।
আরও পড়ুন:
লাবুর মৃত্যুর ময়নাতদন্তের রিপোর্টে অসঙ্গতি দেখে সিবিআইকে এই মামলার তদন্তভার দেয় আদালত। এমনকি, ওই কিশোরের দেহ পুনরায় ময়নাতদন্ত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই নির্দেশেই জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ আধিকারিকদের নামে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই।