Advertisement
E-Paper

কালীঘাটের পরে বেলুড়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার! দক্ষিণেশ্বরে ফের দেখলেন কালো পতাকা, জ্ঞানেশ জানালেন, ভোট হবে হিংসামুক্ত

মঙ্গলবার সকালে জ্ঞানেশ বেলুড় মঠে যান। মূল মন্দির দর্শন করেন। তার পরে অধ্যক্ষ মহারাজ স্বামী গৌতমানন্দজি মহারাজের সঙ্গে কথা বলেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ মার্চ ২০২৬ ০৯:০৬
মঙ্গলবার সকালে বেলুড় মঠে জ্ঞানেশ কুমার।

মঙ্গলবার সকালে বেলুড় মঠে জ্ঞানেশ কুমার। — নিজস্ব চিত্র।

কালীঘাটের পরে মঙ্গলবার সকালে বেলুড় মঠে গেলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সেখানে মন্দির দর্শন করে অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। বেলুড় থেকে বেরিয়ে জ্ঞানেশ জানান, রাজ্যে হিংসামুক্ত নির্বাচন করাতে কমিশন বদ্ধপরিকর। তার পরে তিনি যান দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মন্দিরে। সেখানে যাওয়ার পথে জ্ঞানেশকে কালো পতাকা দেখানো হয় বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার রাজ্যে বিএলওদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে তাঁর।

পশ্চিমবঙ্গে তিন দিনের সফরে এসেছেন জ্ঞানেশ। ফুল বেঞ্চের সঙ্গে রয়েছেন আরও দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক জোশীও। মঙ্গলবার সকাল ৭টা নাগাদ জ্ঞানেশ বেলুড় মঠে যান। মূল মন্দির দর্শন করেন। তার পরে অধ্যক্ষ মহারাজ স্বামী গৌতমানন্দজি মহারাজের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর আশীর্বাদ নেন। প্রায় ৪৫ মিনিট তিনি মঠে ছিলেন। বেলুড় মঠ থেকে বেরিয়ে জ্ঞানেশ বলেন, ‘‘এ বারের নির্বাচনে যাতে কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে দিকে নজর থাকবে। হিংসামুক্ত এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন।’’

মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে জ্ঞানেশ কুমার।

মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে জ্ঞানেশ কুমার। — নিজস্ব চিত্র।

এর পরে বেলুড় মঠ থেকে দক্ষিণেশ্বরে কালী মন্দিরের উদ্দেশে রওনা দেন জ্ঞানেশ। সেখানে তাঁকে কালো পতাকা দেখানো হয় বলে অভিযোগ। সোমবার কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেখানেও জ্ঞানেশকে ঘিরে ধরে এক দল বিক্ষোভকারী কালো পতাকা দেখান। ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, এসআইআরের মাধ্যমে ভোটার তালিকা থেকে অযথা অনেকের নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি জ্ঞানেশ। মন্দিরে পুজো দিয়ে বেরিয়ে যান।

সোমবার রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন জ্ঞানেশ। বৈঠক করেন সব দলের সঙ্গেও। বৈঠকের পর কমিশনের ফুল বেঞ্চ মনে করছে, ক্ষেত্রবিশেষে বা কোথাও কোথাও কিছু সমস্যা আছে। তবে রাজ্যে বিধানসভা ভোট হওয়ার পরিবেশ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা খুব খারাপ রয়েছে, এমনও মনে করছে না কমিশন।

অন্য দিকে, জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে সংসদে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনতে প্রস্তুতি শুরু করে দিল তৃণমূল। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার একটি সাংবিধানিক পদ। সাংবিধানিক পদে কেউ থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনতে গেলে অন্তত ১০০ জন সাংসদের স্বাক্ষর প্রয়োজন। লোকসভা এবং রাজ্যসভা মিলিয়ে তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা ৪২ (মৌসম বেনজির নূর ইস্তফা দিলেও ওই শূন্য আসনে ভোট হয়েছে। তাতে একজন সাংসদ নির্বাচিত হয়েও গিয়েছেন।) জন। ফলে সম মনোভাবাপন্ন দলগুলির কাছে তৃণমূলকে গিয়ে স্বাক্ষর চাইতে হবে।

SIR
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy