E-Paper

ঘরে-বাইরে তোলাবাজির নালিশ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

মঙ্গলকোটে ফ্লেক্সে তৃণমূল বিধায়ক অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়ের ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রার্থী বদলের দাবি জানানো হয়েছে। মেমারি ও মঙ্গলকোটের দুই বিধায়কের দাবি, বিশেষ অভিসন্ধি নিয়ে কে বা কারা এ সব করেছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৫৫

—প্রতীকী চিত্র।

কোথাও দলের অন্দরে নেতাদের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেতা। কোথাও তোলাবাজি-সহ নানা দুর্নীতির অভিযোগে নেতাদের বিরুদ্ধে পড়ল পোস্টার। বিধানসভা ভোটের আগে দুই বর্ধমানে এমন ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা।

রাজ্যের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার-সহ তৃণমূল নেতারা সোমবার পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসায় ‘যুব সাথী’-সহ নানা সরকারি প্রকল্পের শিবির পরিদর্শনে যান। সূত্রের খবর, তার কয়েকটি ভিডিয়ো ‘পোস্ট’ করা হয় তৃণমূল একটি ওয়টস্যাপ গ্রুপে। এর পরেই তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি তথা জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ সমীর বিশ্বাস সেখানে লেখেন, ‘ছবিতে তোলাবাজদের দেখা যাচ্ছে, কাঁকসার তৃণমূলের এটাই এখন পরিচয়’।

সূত্রের খবর, ওই ভিডিয়োয় মন্ত্রীর পাশে দেখা গিয়েছে দলের কাঁকসা ব্লক সভাপতি নবকুমার সামন্ত, দেবদাস বক্সী-সহ কয়েক জন নেতা-কর্মীকে। দলের অন্দরে তাঁরা সমীরের বিরোধী-গোষ্ঠীর বলে পরিচিত। মঙ্গলবার সমীরের দাবি, ওই ভিডিয়োয় একদা সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত পানাগড়ের এক নেতাকে দেখা গিয়েছে, যিনি তৃণমূলের এক নেতার মদতে এলাকায় তোলাবাজি করছেন। তাঁর বক্তব্য, ‘‘প্রদীপবাবু আমাদের অভিভাবক। তাঁকে অসম্মান করা উদ্দেশ্য নয়। শুধু ওই তোলাবাজ ও তাঁকে মদত দেওয়া নেতার বিরুদ্ধে বলতে চেয়েছি।’’ ব্লক সভাপতি নবকুমারের বক্তব্য, ‘‘ওঁকে (সমীর) সতর্ক করা হয়েছে। বক্তব্য উনি মুছে ফেলেছেন।’’ মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের বক্তব্য, ‘‘বিষয়টিজানা নেই।’’

পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট ও মেমারিতে সোমবার রাতে ‘তৃণমূল বাঁচাও কমিটি’র নামে বেশ কিছু ফ্লেক্স-পোস্টার পড়ে। মেমারিতে বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য-সহ তৃণমূলের নানা নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা বিক্রি, আবাস প্রকল্পের উপভোক্তাদের কাছে ‘কাটমানি’ আদায়, টোল প্লাজ়া ও পার্ক থেকে তোলাবাজির মতো নানা অভিযোগ ছিল সে সবে। মঙ্গলকোটে ফ্লেক্সে তৃণমূল বিধায়ক অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়ের ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রার্থী বদলের দাবি জানানো হয়েছে। মেমারি ও মঙ্গলকোটের দুই বিধায়কের দাবি, বিশেষ অভিসন্ধি নিয়ে কে বা কারা এ সব করেছে।

তৃণমূলের পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, ‘‘মানুষের মন না পেয়ে বিজেপি বিভ্রান্তি ছড়াতে চাইছে।’’ বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য স্মৃতিকণা বসুর পাল্টা দাবি, “সবই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

TMC Extortion

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy