Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৮ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

এ বার গোষ্ঠী সংক্রমণ রুখতে নজর বস্তিতে

ঠিক হয়েছে, বস্তিবাসীদের তথ্য সংগ্রহের কাজে লাগানো হবে বিভিন্ন ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবীদেরই। তদারক করবেন কাউন্সিলরেরা।

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ১৫ এপ্রিল ২০২০ ০৪:৩৬
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

দ্বিতীয় পর্যায়ের পরে করোনা সংক্রমণ তৃতীয় পর্যায়ের দিকে এগোচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তার অগ্রগতি প্রতিহত করতে কলকাতা পুর এলাকা, বিশেষত বস্তিতে বাড়তি নজরদারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

প্রশাসনিক সূত্রের খবর, মঙ্গলবার নবান্নে পুরমন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে মুখ্যসচিব রাজীব সিংহের বৈঠকে স্থির হয়েছে, স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে মিলে কলকাতা পুর এলাকার জন্য একটি অ্যাপ তৈরি করা হবে। তার ভিত্তিতে তথ্যভান্ডার তৈরি করবে সরকার। প্রতিটি ওয়ার্ডে নজরদারির পৃথক ব্যবস্থা করেছে পুরসভা। প্রশাসনিক কর্তাদের ব্যাখ্যা, গোষ্ঠী সংক্রমণ রুখতেই এই ব্যবস্থা।

ঠিক হয়েছে, বস্তিবাসীদের তথ্য সংগ্রহের কাজে লাগানো হবে বিভিন্ন ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবীদেরই। তদারক করবেন কাউন্সিলরেরা। স্বেচ্ছাসেবীরা ঘুরে ঘুরে দেখবেন, কোন বস্তিতে কে অসুস্থ, কার দীর্ঘদিন ধরে সর্দি-কাশি চলছে, বয়স্কদের কেউ অসুস্থ কি না...। তেমন সন্ধান পেলে সংশ্লিষ্টদের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর নেবেন স্বেচ্ছাসেবকেরা। এ কাজে পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীদেরও ব্যবহার করা হবে। প্রতিটি বরোয় এক জন ম্যানেজার নিয়োগ করা হবে। এক বা দু’জন ডেপুটি ম্যানেজারকে নজরদারির দায়িত্ব দেওয়া হবে প্রতিটি ওয়ার্ডে। তাঁরা স্বেচ্ছাসেবীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিটি বস্তি, ঘিঞ্জি, ঝুপড়িতে বাসিন্দাদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ রাখবেন। কেউ অসুস্থ হলে ম্যানেজারের তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন বরো স্বাস্থ্য আধিকারিক। সাধারণ ভাবে ওষুধে সেরে যাওয়ার মতো রোগের ক্ষেত্রে পুর-চিকিৎসকেরাই তাঁর চিকিৎসা করবেন। প্রয়োজনে পুরসভা নিজেদের দায়িত্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করবে।

Advertisement

আরও পড়ুন: লকডাউন সফল করতে কড়া নজর অলিগলিতে

পুরমন্ত্রী জানান, কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডকে করোনা থেকে মুক্ত রাখতেই এই সিদ্ধান্ত। কলকাতা পুরসভা ও স্বাস্থ্য ভবনের মধ্যে সমন্বয় রাখতে আইএএস ওঙ্কার সিংহ মিনাকে নোডাল অফিসার করা হয়েছে। কলকাতার জন্য অ্যাপ চালু করার আগেই করোনা কোথায় কতটা ছড়িয়েছে, তা বুঝতে জেলাগুলিতে ‘সন্ধানে’ নামে একটি অ্যাপ-কে কাজে লাগিয়েছে সরকার। আশাকর্মীরা তার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করছেন।

আরও পড়ুন: কোয়রান্টিন গুজব, জামুড়িয়ায় জনতার ‘হামলা’য় পা ভাঙল ওসি-র

(অভূতপূর্ব পরিস্থিতি। স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিয়ো আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, feedback@abpdigital.in ঠিকানায়। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।)

আরও পড়ুন

Advertisement