টিকা নিতে ভিড় হচ্ছে হাসপাতালে। শিকেয় উঠছে দূরত্ব বিধি। করোনা আবহে সুরক্ষাবিধি বজায় রাখতে তাই হাসপাতালের পাশাপাশি পুরসভা ভবনেও টিকা দেওয়া শুরু করল ধূপগুড়ি প্রশাসন। এই প্রথম হাসপাতালের বাইরে কোনও সরকারি দফতরের টিকাকরণ কেন্দ্র খোলা হল জেলায়।
বৃহস্পতিবার ধূপগুড়ি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশকুমার সিংহ এবং ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সুরজিত ঘোষের উপস্থিতিতে টিকাকরণের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। রাজেশ বলেন, ‘‘আজ থেকে পৌরসভার মূল কার্যালয়ে টিকা দেওয়ার কাজ শুরু হল। আপাতত ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে যাঁদের বয়স, তাঁদের টিকা দেওয়া হবে। পরে পুরসভার অন্যান্য কার্যালয় থেকেও টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। করোনা পরিস্থিতিতে টিকা নিতে সরকারি হাসপাতালগুলিতে হওয়া ভিড় এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত।’’
টিকাকরণ নিয়ে বুধবারই ধূপগুড়ি হাসপাতালে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। সেখানে ২০০ জনকে টিকা দেওয়ার কথা আগাম জানানো হলেও টিকা নিতে ভিড় জমান প্রায় ৬০০ মানুষ। এরপরই কাদের টিকা দেওয়া হবে, তা নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়। নিজেদের মধ্যেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন উপস্থিত জনগণ। পাশাপাশি হাসপাতাল কর্মীদেরও ধাক্কাধাক্কি করা হয় বলে অভিযোগ। বুধবারের সেই ঘটনার কথা মাথায় রেখেই হাসপাতালের বাইরে টিকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজেশ।
রাজেশ জানিয়েছেন, ভি়ড়ের জন্য শারীরিক দূরত্ববিধি বজায় রাখা যাচ্ছে না হাসপাতালগুলিতে। সে কথা মাথায় রেখেই ধূপগুড়ি পুরসভার মূল কার্যালয় থেকে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে।